ঋণগ্রস্ত জয়প্রকাশ অ্যাসোসিয়েটস অধিগ্রহণের পথে এক ধাপ এগোল আদানি গোষ্ঠী। ঋণদাতাদের কমিটির ভোটে ৮৯% ভোট পেয়ে জিতল তারা। গৌতম আদানির শিল্পগোষ্ঠী পিছনে ফেলে দিয়েছে বেদান্ত এবং ডালমিয়া সিমেন্ট ভারতকে। পরিকাঠামো নির্মাণ সংস্থা হিসেবে এক সময় জয়প্রকাশ অ্যাসোসিয়েটসের নাম ছিল। আবাসন, আতিথেয়তা, সিমেন্ট কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প-সহ বেশ কিছু প্রকল্প রয়েছে তাদের হাতে। গত বছর জুনে ৫৭,১৮৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপির পর তাদের উপর দেউলিয়া বিধি কার্যকর হয়। গত এপ্রিলে ২৫টি সংস্থা আগ্রহ প্রকাশ করলেও দরপত্র পড়েছে পাঁচটি।
এ দিকে, আজই বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন পর্ষদের থেকে বকেয়া আদায়ের জন্য সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক সালিশি কেন্দ্রে না যেতে আদানি গোষ্ঠীকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশের হাই কোর্ট। জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত শেষ না হলে তারা এই সালিশি করা যাবে না। চুক্তির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটিও গঠন করবে সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার। বকেয়ার বিষয়ে অবশ্য আদানি এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ পর্ষদের মধ্যে দর কষাকষি চলছে।