আগামী ২১ অক্টোবর বাজারে প্রথম বার শেয়ার বিক্রি করতে (আইপিও) নামবে রিলায়্যান্স জিয়ো। ২৩ তারিখ পর্যন্ত তা কেনা যাবে। ১০ টাকা মূল দামের প্রতিটি শেয়ার কেনা যাবে ১০৬৫-১১১৯ টাকায় (মূল্যবন্ধনী)। তবে ন্যূনতম ১২টি কিংবা ১২-র গুণিতক হিসেবে কিনতে হবে। জিয়োর কর্মীরা প্রতি শেয়ারে ৫৪ টাকা করে ছাড় পাবেন। সংস্থা এই দফায় ২৭ কোটির মতো শেয়ার বাজারে ছাড়বে বলেই খবর। বিশদ তথ্য (আইপিও প্রসপেক্টাস) বুধবারই বাজারে জমা দিয়েছে মুকেশ অম্বানী গোষ্ঠীর এই সংস্থা। জিয়ো শেয়ার বাজারে লেনদেনের জন্য নথিভুক্ত হতে পারে ২৮ অক্টোবর।
সূত্রের ইঙ্গিত, আজ, বৃহস্পতিবার রিলায়্যান্স জিয়ো আইপিও-র কথা ঘোষণা করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শেয়ার ছেড়ে কমপক্ষে ৩০ হাজার কোটি টাকা তোলার লক্ষ্য। সেটা হলে, এটিই হতে চলেছে দেশের বৃহত্তম আইপিও। জিয়ো প্ল্যাটফর্মের কর্মীদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার এবং রিলায়্যান্সের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫০০ কোটি টাকার শেয়ার সংরক্ষিত থাকছে। প্রসপেক্টাসে দাবি, আইপিও মারফত বাজার থেকে তোলা টাকা বেশ কিছু ঋণ আগাম মেটাতে এবং ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যবহার করা হবে।বর্তমানে দেশে গ্রাহক সংখ্যার (প্রায় ৫২.৪ কোটি) নিরিখে বৃহত্তম টেলিকম সংস্থা জিয়ো। যদিও গ্রাহক পিছু গড় আয়ে (২১৪ টাকা) এয়ারটেলের পিছনে। মার্চ পর্যন্ত জিয়ো প্ল্যাটফর্মের সামগ্রিক মোট আয় ১৪.৬% বেড়ে হয়েছে প্রায় ১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা। নিট মুনাফা ১৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ছুঁয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি। মোট ঋণ প্রায় ৭১ হাজার কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জিয়ো টেলিকমের শেয়ার ছেড়ে মুকেশের রিলায়্যান্স নিজেদের টেলিকম ব্যবসার ভিত্তিকে আরও পোক্ত করছে। এই সংস্থার ৬৬.৪৩% অংশীদারি রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ়ের। মেটা এবং গুগ্লের হাতে রয়েছে ১৭.৭% করে। মূলত, রিলায়্যান্সের হাতে থাকা শেয়ার থেকেই কিছুটা বাজারে ছাড়া হচ্ছে।