সোনার চড়া দামের জেরে মধ্যবিত্ত ঝুঁকেছেন রুপোর দিকে। এক দিকে তাঁরা সরাসরি ধাতুটিতে লগ্নি করছেন। অন্য দিকে, অনেকেই কিনছেন রুপোর বাসন-সহ বিভিন্ন পণ্য। আর এই সবের জেরে গত বছর টানা উঠে একের পর এক নজির গড়েছে রুপোর দাম। সেই ধারা বহাল রইল নতুন বছরেও। বুধবার কলকাতার বাজারে এক কেজি রুপোর বাটের দাম পৌঁছে গিয়েছে ২,৪৯,৭০০ টাকায়। জিএসটি ধরে ২,৫৭,১৯১ টাকা। মঙ্গলবারের থেকে তা ৩৯০০ টাকা বেশি। পাশাপাশি, একই হারে বেড়ে খুচরো রুপোর দাম দাঁড়িয়েছে ২,৪৯,৮০০ টাকা। কর যোগ করে সেটাও পৌঁছেছে ২,৫৭,২৯৪ টাকায়।
তবে এ দিন কিছুটা কমেছে সোনার দাম। খুচরো পাকা সোনা (২৪ ক্যারাট ১০ গ্রাম) ১,৩৭,৮০০ টাকায় থেমেছে। গতকালের থেকে ১৫০ টাকা কম। জিএসটি ধরে দাম ১,৪১,৯৩৪ টাকা। গয়নার সোনা ২০০ টাকা কমে হয়েছে ১,৩০,৯৫০ টাকা। কর নিয়ে ১,৩৪,৮৭৮.৫ টাকা। জে জে গোল্ডের ডিরেক্টর হর্ষদ অজমেঢ়ার বক্তব্য, বিশ্ব জোড়া ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার ফলে ডলারের বদলে লগ্নিকারীরা সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে সোনা-রুপোয় টাকা ঢালছেন। তার উপরে আমেরিকা থেকে ভারতীয় পণ্যের উপরে নতুন করে শুল্ক বৃদ্ধির হুমকি আসার প্রভাব পড়েছে ভারতের বাজারে। এটাই ওই দুই ধাতুর দাম দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার প্রধান কারণ।
সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের এমডি শুভঙ্কর সেন বলেন, ‘‘১০,০০০ টাকাতেও সোনার গয়না পাওয়া ভার। তাই বাধ্য হয়েই ক্রেতাদের বড় অংশ উপহারের জন্য রূপোর গয়না কিনছেন। তাই সোনার মতো এনেছি অ্যাপে রুপো কেনার সুযোগ।’’ বঙ্গীয় স্বর্ণশিল্পি সমিতির সাধারণ সম্পাদক টগর পোদ্দার জানান, বহু কারিগর এখন তাঁরা রুপোর জিনিসও বানাচ্ছেন।