সিবিএসই-র পুনর্মূল্যায়নে আবেদন না করেই নম্বর কমেছে। যে সব বিষয়ের পরীক্ষায় পাশ করেছিলেন, এখন তাতেই তাঁরা ‘ফেল’। ঘটনার জেরে কলেজে ভর্তি হওয়া নিয়ে সংশয়ে ফরিদাবাদের দুই ছাত্র পুষ্কর শর্মা এবং আয়ুষ্মান মিশ্র।
ফরিদাবাদের ডিএভি পাবলিক স্কুলের ওই পড়ুয়াদের অভিযোগ, পুনর্মূল্যায়নে যে বিষয়ের জন্য আবেদনই করেননি তাঁরা, সে বিষয়ের নম্বর কমে গিয়েছে। জাতীয় স্তরের একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুষ্করের গণিতে প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৪৬, যা বর্তমানে কমে হয়েছে ৪০। আয়ুষ্মানের ক্ষেত্রে রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর ৫২ থেকে হয়েছে ৪৩। নম্বর কমে যাওয়ায় তাঁদের বর্তমান ফলাফলে রিপিট ইন থিয়োরি (আরটি) দেওয়া হয়েছে। তাই দু’জনেই স্নাতকে ভর্তি হতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পুষ্কর রসায়ন এবং হোম সায়েন্স-এর নম্বর পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করেছিলেন। আয়ুষ্মান পদার্থবিদ্যা এবং কম্পিউটার সায়েন্স-এর জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। আয়ুষ্মানের ওই দু’টি বিষয়ে নম্বর বৃদ্ধি পেলেও পুষ্করের শুধুমাত্র হোম সায়েন্স-এ নম্বর বেড়েছে। কিন্তু দু’জনেরই কমেছে অন্য বিষয়ের নম্বর।
আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত কোনও বিবৃতি প্রকাশ করেনি সিবিএসই। ওই পড়ুয়ারা বোর্ডের স্থানীয় দফতরে অভিযোগ জানিয়েছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, যে বিষয়ের পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করাই হল না, তার নম্বর বদলে যাওয়ায় পড়ুয়ার উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। স্কুলের তরফে এই বিষয়ে ইতিমধ্যে বোর্ডের কন্ট্রোলার অফ এগ্জ়ামিনেশন-এর কাছে দ্রুত পদক্ষেপ করার আর্জি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএভি পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, বোর্ডের তরফে এই ঘটনাকে নীতিগত বিষয় হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যে বিষয়ে পড়ুয়ার ভাল নম্বর প্রাপ্য, তা বৃদ্ধি করা হলেও আগে দেওয়া অতিরিক্ত নম্বর বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “এই নিয়ম সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। এই বিষয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি নেই। যদি সত্যিই তাই হয়ে থাকে, তা হলে বোর্ডের তরফে তা আগেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া উচিত ছিল।”
বোর্ডের তরফে যদি নম্বর ফিরিয়ে না দেওয়া হয়, সে ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের আরও একবার পরীক্ষা দিতে হবে। তবেই তাঁরা ওই বিষয়ে পাশ করার সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে বোর্ডের তরফে যেন সদর্থক পদক্ষেপ করা হয়, তার আর্জি জানিয়েছেন পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা।