বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে জাতপাতের সমীকরণ কষে কংগ্রেস নতুন করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের দাবি তুলল।
শিক্ষা মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট তুলে ধরে কংগ্রেস আজ অভিযোগ তুলেছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে তফসিলি জাতির পড়ুয়ার সংখ্যা মাত্র ০.৮৯ শতাংশ। তফসিলি জনজাতির সংখ্যা মাত্র ০.৫৩ শতাংশ। মাত্র ১১.১৬ শতাংশ ওবিসি সেখানে পড়াশোনা করে। এ দিকে মোদী সরকারের জাতীয় শিক্ষা নীতিতে ঘুরপথে শিক্ষার বেসরকারিকরণের দিকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ফলে তফসিলি জাতি, জনজাতি, ওবিসি-রা উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস।
গত মার্চে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের সংসদীয় কমিটি জানিয়েছিল, বেসরকারি ‘ইনস্টিটিউট অব এমিনেন্স’ বা নামী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে তফসিলি জাতি, জনজাতি বা ওবিসি পড়ুয়াদের হার খুবই কম। সে সময়ই কংগ্রেস বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও সংরক্ষণের দাবি তোলে। যদিও মোদী সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। আজ কংগ্রেসের তফসিলি জাতি বিভাগের প্রধান রাজেন্দ্র পাল গৌতম, জনজাতি বিভাগের প্রধান বিক্রান্ত ভুরিয়া এবং ওবিসি বিভাগের প্রধান অনিল জয়হিন্দ এক সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করে অভিযোগ করেছেন, মনমোহন সিংহের সরকার সংবিধান সংশোধন করে ১৫(৫) অনুচ্ছেদ এনে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ চালুর ব্যবস্থা করেছিল। সুপ্রিম কোর্ট তাতে সিলমোহর দিয়েছে। কিন্তু মোদী সরকার তা কার্যকর করার জন্য আইন তৈরি করেনি। দেশের৫১৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই।দেশের ৭৮.৫ শতাংশ কলেজ বেসরকারি। সেখানেও সংরক্ষণের সুবিধা মেলে না।