E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সীমান্তে স্থিতি থাকায় সন্তুষ্ট দিল্লি-বেজিং

দু’দেশের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী সংক্রান্ত পরবর্তী বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বৈঠকটি যাতে দ্রুত আয়োজন করা যায়, তার উপর জোর দিয়েছে নয়াদিল্লি।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১০:৩৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পূর্ব লাদাখ সংলগ্ন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিয়ে ভারত ও চিনের সীমান্ত বিষয়ক পরামর্শ ও সমন্বয় কার্যপ্রণালীর (ডবলিউএমসিসি) বৈঠক হল। আজ বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ‘ভবিষ্যতের’ দিকে তাকিয়ে ‘গঠনমূলক’ আলোচনা হয়েছে। সীমান্ত সমস্যার সমাধান না করা হলে যে তা সার্বিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে এ ব্যাপারে একমত দু’পক্ষের কর্তাই। ছ’বছর আগে গালওয়ান সংঘাতের পর এটি উভয়পক্ষের ৩৫তম কার্যপ্রণালীর বৈঠক। বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য, সীমান্ত এলাকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে তাতে নয়াদিল্লি এবং বেজিং সন্তুষ্ট। এ-ও জানানো হয়েছে, সীমান্তে স্থিতি থাকায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ক্রমশ স্বাভাবিকতরদিকে যাচ্ছে।

বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পূর্ব এশিয়া বিষয়ক যুগ্ম সচিব সুজিত ঘোষ এবং চিনা প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রকের সীমান্ত ও মহাসাগর বিষয়ক বিভাগের মহানির্দেশক হু ইয়াংকি। জানানো হয়েছে, বৈঠকে কথা হয়েছে সীমান্ত নির্ধারণ, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, কর্মপদ্ধতি রূপায়ণ এবং আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতার মতো বিষয় নিয়ে। দু’দেশের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী সংক্রান্ত পরবর্তী বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বৈঠকটি যাতে দ্রুত আয়োজন করা যায়, তার উপর জোর দিয়েছে নয়াদিল্লি। কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় বজায় রাখা হবে বলেস্থির হয়েছে।

২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় প্রাণঘাতী সংঘর্ষ এবং পরবর্তী চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সামরিক সংঘাতের ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য গত কয়েক বছর ভারত ও চিন একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তার অন্যতম নিয়মিত এই ডবলিউএমসিসি বৈঠক চালিয়ে যাওয়া। কূটনৈতিক শিবিরের মতে, চিনের মতো বিপুল শক্তিধর প্রতিবেশীকে প্রশমিত রাখা এবং সর্বদা আলোচনার টেবিলে ধরে রাখাভারতের নিরাপত্তার কারণে গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভারত-প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের একাধিপত্য ঠেকাতে চতুর্দেশীয় কোয়াডে যুক্ত থাকলেও নয়াদিল্লি চিনের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং সামরিক স্তরে সীমান্ত আলোচনাওচালিয়ে যাচ্ছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
East Ladakh

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy