নার্সিং ছাত্রীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল ছত্তীসগঢ়ের ভিলাইয়ে। শনিবারের ঘটনা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম খুশি সাহু। তিনি বেমেতারা জেলার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে খবর, নার্সিং নিয়ে পড়াশোনার জন্য ভিলাইয়ে গিয়েছিলেন খুশি। সেখানে একটি বেসরকারি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। একটি বাড়িভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। তাঁর এক জন রুমমেটও ছিল। পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য খুশি একটি ক্যাফেতে আংশিক সময়ের চাকরিও করতেন।
গত কয়েক মাস ধরে পিন্টু সাহু নামে স্থানীয় এক যুবক তাঁকে উত্ত্যক্ত করা শুরু করেন বলে অভিযোগ। খুশির গতিবিধির উপর নজর রাখতেন। তাঁকে অনুসরণ করতেন। শুধু তা-ই নয়, এক এক সময় এক একটি নম্বর থেকে ফোন করে খুশিকে বিরক্ত করতেন বলে অভিযোগ। গত মাসে ওই যুবকের নিজস্ব ফোন নম্বর ব্লক করে দিয়েছিলেন খুশি। তাঁর হাত থেকে রেহাই পেতে কাজের সময়ও বদলে ফেলেন। কিন্তু এ কাজ করেও শেষরক্ষা হয়নি। খুশিকে নানা ভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন পিন্টু।
অভিযোগ, তাঁর ফোন নম্বর ব্লক করে দেওয়ায় শুক্রবার খুশির ভাড়াবাড়িতে হাজির হন পিন্টু। সেই সময় ঘরে ছিলেন খুশি। আর বাথরুমে ছিলেন তাঁর রুমমেট। পিন্টুর সঙ্গে খুশির বচসা হয়। তার পরই আচমকা খুশির গাল টিপে ধরেন পিন্টু। তার পর ছুরি দিয়ে তাঁর পেটে আঘাত করেন বলে অভিযোগ। ওই অবস্থায় খুশিকে ফেলে চম্পট দেন। বাথরুম থেকে বেরিয়ে খুশিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁর রুমমেট বাড়িওয়ালাকে খবর দেন। খুশিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সপ্তাহখানেক আগেই ওই যুবকের কথা বাড়িতে জানিয়েছিলেন খুশি। অভিযোগ, পিন্টু খুশির দাদাকে প্রাণে মারার হুমকিও দেন। খুশিকে খুনের পর রায়পুরে পালিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে শনিবার গ্রেফতার করে পুলিশ।