সংসদের এই সপ্তাহের কার্যসূচিতে বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইন (এফসিআরএ) বিলটি রাখেনি কেন্দ্র। আজ সরকারি সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে বিলটি নিয়ে আসা হবে। সূত্রের খবর, বিলটি নিয়ে আলোচনার শেষে সংসদে নিজে উত্তর দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে অধিবেশন উত্তাল করছেন বিরোধীরা।
আজ সকালে সংসদীয় বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজু আসন পুনর্বিন্যাস বিলের পাশাপাশি এই বিলটি আনা নিয়ে সরকারের অভিপ্রায়ের কথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর কাছে ব্যক্ত করেছেন বলে খবর। কংগ্রেস-সব বিরোধীরা জানিয়েছে, তারা ঐক্যবদ্ধ ভাবে বিলটির বিরোধিতা করবে। কিন্তু এটি যেহেতু সংবিধান সংশোধনী বিল নয়, তাই সেটি পাশ করাতে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার পড়বে না মোদী সরকারের। তবে শাহ জবাবি বক্তৃতা দিলে বিরোধীরাকোন রণনীতি নেবেন, এ বার সেটাই দেখার বলে মনে করছে রাজনৈতিক শিবির।
আজ এফসিআরএ নিয়ে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন আমেরিকার কংগ্রেস সদস্য রাইলি মুর। তাঁর দাবি, এফসিআরএ-র নামে সরাসরি খ্রিস্টানদের উপরে আঘাত হানা হচ্ছে। ভারত এবং আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপরেও এই আইন প্রভাব ফেলতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। আমেরিকার হাউস অব রিপ্রেজ়েন্টেটিভসের রিপাবলিকান পার্টির সদস্যের দাবি, ‘জিশুখ্রিস্টের পুনরুত্থানের মাত্র কয়েক দশক পরে সন্ত টমাস মালাবার উপকূলে পৌঁছন। সেই থেকেই ভারতে খ্রিস্টানদের উপস্থিতি। তার পরেও ভারতের সংসদ এফসিআরএ সংশোধনী বিল পাশ করানোর কথা ভাবছে, যাতে গির্জা এবং ধর্মীয় দাতব্য সংস্থাগুলির উপরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতেপারে সরকার।’