ভগবন্ত মান যখন লোকসভার সাংসদ ছিলেন, সেই সময়ে সকাল ১১টায় তাঁর মুখ থেকে মদের গন্ধ পাওয়া যেত বলে দাবি করলেন রাহুল গাঁধী।
আগামী বছরের গোড়ায় হতে চলা পঞ্জাবের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের ঢাকে কাঠি দিয়ে বুধবার রাজ্যের আম আদমি পার্টির সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের ঘরের মাঠ সঙ্গরূরে জনসভা করেছেন রাহুল। কৌতুকশিল্পী থেকে রাজনীতিক হওয়া মানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, ‘‘উনি লোকসভায় আমাদের সঙ্গে বসতেন, চুটকি শোনাতেন। সকাল ১১টায় তাঁর মুখে মদের গন্ধ পাওয়া যেত। আমি বলছি না যে, উনি মদ খাবেন না। সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু যদি পঞ্জাবে মাদকের নেশার মোকাবিলা করতে হয়, তা হলে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রতি সন্ধ্যায় নেশা করলে চলবে না। এমন এক জনকে চাই, যিনি মাদকের নেশার যন্ত্রণা বুঝবেন।’’
আম আদমি পার্টি (আপ) এখন আর বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চে নেই। তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি, ভোট চুরির অভিযোগের প্রশ্নে বিরোধীদের সঙ্গে রয়েছে তারা। রাহুলের এই নিশানার পরে আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ প্রশ্ন তুলেছেন, কংগ্রেসের বড় শত্রু কে? বিজেপি, না অন্য বিরোধী দল? পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আসছে। উত্তরপ্রদেশ সব থেকে বড় রাজ্য। তাঁর মতে, যিনি উত্তরপ্রদেশ জেতেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হন। রাহুল উত্তরপ্রদেশে প্রচার করছেন না কেন? তিনি ভগবন্ত মানের সম্পর্কে ‘কুকথা’ বলছেন। কিন্তু যোগী আদিত্যনাথ সম্পর্কে কিছু বলছেন না।
রাহুল অবশ্য পঞ্জাবে অমিত শাহ তথা বিজেপিকেও নিশানা করেছেন। পঞ্জাবে মাদকের রমরমা ও তার নেশাকে রাজ্যের প্রধান সমস্যা বলে চিহ্নিত করেছেন তিনি। অমিত শাহ পঞ্জাবে মাদকের সমস্যা তিন বছরের মধ্যে মিটিয়ে দেবেন বলে ঘোষণা করেছেন। রাহুল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেছেন, ‘‘উনি তো তিন বছর পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকবেন না। তা ছাড়া, আদানির বন্দরে যে মাদক ধরা পড়েছিল, সে নিয়ে উনি কী পদক্ষেপ করেছেন? অমিত শাহ আসলে জেলের মধ্যে গ্যাংস্টারদেরআশ্রয় দিচ্ছেন।’’