শৈত্য গলাল অসুস্থতা! প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি এবং বিরোধী দলনেতার পদে থেকে অধীর চৌধুরী ও আব্দুল মান্নানের মধ্যে দূরত্ব বহুচর্চিত ছিল কংগ্রেসে। সদ্যপ্রাক্তন সভাপতি অধীরবাবু মঙ্গলবার নিজেই মান্নানকে ফোন করে তাঁর অস্ত্রোপচার ও স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন। আলাপচারিতায় মান্নানও অধীরবাবুকে বলেছেন, ২০২১ সালের লক্ষ্যে এখন থেকেই তাঁদের সকলকে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে। বহরমপুরের সাংসদও বিরোধী দলনেতাকে বলেছেন, তাঁদের মধ্যে কোনও রাজনৈতিক পার্থক্য নেই। চাঁপদানির বাড়িতে এ দিনই মান্নানকে দেখতে গিয়েছিলেন আর এক প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য ও দলের নেতা সন্তোষ পাঠক। ফোনে বিরোধী দলনেতার সঙ্গে কথা বলে তাঁকে ঠিকমতো বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দলত্যাগী এক বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের শুনানিতে শারীরিক কারণে তিনি যে থাকতে পারবেন না, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে তা জানিয়েছেন বিরোধী নেতা।