E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

‘বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার কমাবে অনুপ্রবেশ’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার সাত দিনের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া লাগাতে প্রয়োজনীয় জমি আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। কিছু স্থানে জমি হস্তান্তর শুরু হয়ে গিয়েছে।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ১০:২১
অমিত শাহ।

অমিত শাহ। — ফাইল চিত্র।

আগামী দিনে বিএসএফের দায়িত্ব আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ গুজরাতের কচ্ছ সীমান্তে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, এত দিন সীমান্ত-অনুপ্রবেশের প্রশ্নে দুর্বল স্থান ছিল পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু রাজ্য কাঁটাতার বসানোর জমি দেওয়ায় সীমান্ত নিশ্ছিদ্র করার কাজ শুরু হয়েছে।

শাহের মতে দেশের সবচেয়ে অরক্ষিত সীমান্ত— ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সীমান্ত রয়েছে। আজ এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসার সাত দিনের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া লাগাতে প্রয়োজনীয় জমি আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। কিছু স্থানে জমি হস্তান্তর শুরু হয়ে গিয়েছে।’’ শাহের দাবি, ‘‘একবার কাঁটাতারের বেড়া বসে গেলে অনুপ্রবেশ একেবারেই কমে যাবে। সে ক্ষেত্রে অনুপ্রবেশের প্রশ্নে কেবল জঙ্গল, পাহাড় ও নদীপথ খোলা থাকবে। ওই সব স্থানে প্রযুক্তিনির্ভর বেড়া লাগানোর কথা ভাবা হয়েছে।’’

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গে আজ বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জায়সওয়াল বলেন, ‘‘ভারতে যাঁরা অবৈধ ভাবে বসবাস করছেন, তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেমনটি আমি আগেও জানিয়েছিলাম ২৬৮০টির কাছাকাছি মামলা বা নাম হস্তান্তর করা হয়েছে জাতীয় পরিচয় যাচাই করার জন্য। যা শেষ হলেই ওই বাংলাদেশের নাগরিকদের সে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই যাচাই প্রক্রিয়া গত পাঁচ বছর ধরে ঝুলে আছে।’’

গত কয়েক দিন ধরেই পশ্চিম সীমান্তে সফর করছেন শাহ। আজ গুজরাত লাগোয়া পাকিস্তান সীমান্ত পরিদর্শন করে তিনি বলেন, ‘‘আগামী দিনে বিএসএফের কাজের পরিধি বাড়তে চলেছে।’’ কী কাজের পরিধি বাড়বে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। তবে সূত্রের মতে, এখন কেবল বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে বিএসএফের উপস্থিতি রয়েছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে সীমান্তে বিএসএফ-কে নিয়োগের কথা ভাবা হচ্ছে। আগামী দিনে সীমান্ত সংলগ্ন কোনও এলাকায় হঠাৎ করে অস্বাভাবিক হারে জনঘনত্ব বেড়ে যাচ্ছে কি না, তা-ও নজরে রাখতে বলা হয়েছে বিএসএফ-কে।

আজ শাহ জানান, যখন তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হন, তখন পশ্চিম সীমান্তের অনেকটাই অরক্ষিত ছিল। কিন্তু গত কয়েক বছরে প্রায় ৭০ শতাংশ সীমান্তকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাতে চার স্তরীয় নিরাপত্তা গ্রিড গড়ে তোলার উপরে জোর দিয়েছেন শাহ।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
India Bangladeh Border

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy