E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মেট্রোর কাজ ঘিরে বেহাল নিকাশি, অভিযোগ দমদমে

মেট্রোর কাজের জন্য জল জমার সমস্যাও ভোগাতে পারে। অভিযোগ, মেট্রোর কাজের জন্য এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা কিছুটা হলেও বিপর্যস্ত হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ মে ২০২৫ ০৯:২০
নোয়াপাড়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা শুরু হতে বেশি দেরি নেই।

নোয়াপাড়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা শুরু হতে বেশি দেরি নেই। —ফাইল চিত্র।

নোয়াপাড়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পথে মেট্রো পরিষেবা শুরু হতে খুব বেশি দেরি নেই। তবে ওই এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের আশঙ্কা, এই পথে পরিষেবা শুরু হলে যাতায়াত মসৃণ হবে ঠিকই। কিন্তু মেট্রোর কাজের জন্য জল জমার সমস্যাও ভোগাতে পারে। কারণ হিসাবে তাঁদের অভিযোগ, মেট্রোর কাজের জন্য এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা কিছুটা হলেও বিপর্যস্ত হয়েছে। সম্প্রতি অল্প বৃষ্টিতেই তার ইঙ্গিত মিলেছে। দক্ষিণ দমদম পুরসভার ২ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একাধিক জায়গায় জল জমতে দেখা গিয়েছে।

সোমবার দক্ষিণ দমদম পুরসভা এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষের যৌথ পরিদর্শনেও বাসিন্দাদের সেই আশঙ্কার কথা উঠে এল। দু’পক্ষের বৈঠকে আপৎকালীন কিছু প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মেট্রোর আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, তাঁরা সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবগুলি নিয়ে শীর্ষ স্তরে পর্যালোচনা করবেন। তবে জল জমার সমস্যা আদৌ মিটবে কি না, তার ইঙ্গিত অবশ্য যৌথ পরিদর্শনে মেলেনি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, মেট্রো চলার জন্য খাল সংলগ্ন অংশে স্তম্ভ বসানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, দক্ষিণ দমদমের একাধিক ওয়ার্ডে নিকাশি নালার মুখ বন্ধ হয়ে রয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, আগে নিকাশির জল বেরোনোর জন্য একটি বড় নর্দমা ছিল। কিন্তু মেট্রোর তরফে কাজের জন্য সেটির বদলে যে নর্দমা তৈরি করা হয়েছে, তার পরিসর আগের বড় নর্দমার অর্ধেকেরও কম। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, এর ফলে ভারী বৃষ্টি হলে সেই জল নর্দমা উপচে চলে আসতে পারে।

সোমবারের পরিদর্শনে গিয়েছিলেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই দত্ত, চেয়ারম্যান পারিষদ (জল) মৃন্ময় দাস-সহ স্থানীয় পুরপ্রতিনিধি ও আধিকারিকেরা। পরে মৃন্ময় জানান, বাসিন্দাদের আশঙ্কা একেবারে অমূলক নয়। মেট্রোর কাজ করতে গিয়ে এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়েছে। অবিলম্বে পাম্পিং স্টেশন চালু না করলে একাধিক ওয়ার্ডে জল জমার প্রবণতা বাড়বে। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি তথা পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ও পরিদর্শনে ছিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘কী ভাবে এমন কাজ করা হল, তা বোঝা যাচ্ছে না। এর ফলে আসন্ন বর্ষায় একাধিক ওয়ার্ড জল জমার সমস্যায় ভুগতে পারে।’’

বাসিন্দাদের অনেকে অবশ্য এর নেপথ্যে পুরসভার পর্যবেক্ষণের ত্রুটিকেই দায়ী করছেন। যদিও পুর কর্তৃপক্ষের দাবি, মেট্রো চলাচলের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার এবং পুর প্রশাসন জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছে। তারা সমস্যার দিকগুলি তুলে ধরেছেন মেট্রো কর্তৃপক্ষের কাছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Kolkata Metro drainage

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy