গত কয়েক বছরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য-জটে ছাত্র, শিক্ষকদের ভোগান্তির পরে ছবিটা কিছুটা পাল্টাচ্ছে। আজ, সোমবার ছ’বছর বাদে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন। নিউ টাউনের কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা। আচার্য তথা রাজ্যপাল রবীন্দ্রনারায়ণ রবি, উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এবং আইআইটি খড়্গপুরের অধিকর্তা সুমন চক্রবর্তীর উপস্থিত থাকার কথা।
বেশির ভাগ সময়ে উপাচার্য বা স্থায়ী উপাচার্য না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু গবেষক-ছাত্রের শংসাপত্র আটকে ছিল। আমেরিকায় পোস্ট-ডক্টরেট করার সময় এক ছাত্রের বিতাড়িত হওয়ার পর্যন্ত উপক্রম ঘটে। তখন রাজ্যপালের হস্তক্ষেপে তাঁর সমস্যার সুরাহা হয়। শংসাপত্র পেতে দেরির ফলে অনেক গবেষক ছাত্রেরই ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন ঝুলে ছিল। তৃণমূল আমলে রাজভবন বনাম নবান্ন টানাপড়েনে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বা ডিগ্রি প্রদানের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া থমকে যায়। এ বার সেটা মিটতে চলেছে।
বারাসতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কো-অর্ডিনেটর মুকুট চক্রবর্তী রবিবার জানান, এ বার এক সঙ্গে ১৪৭ জনকে পিএইচ ডি, ১৯ জনকে এমফিল, প্রথম স্থানাধিকারী ১৩০ জনকে পদক দেওয়া হবে। রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, গ্রামীণ বিদ্যা, ইতিহাসের ২০ জন কৃতী ছাত্র পাবেন শিক্ষকদের অনুদানে ‘এনডাওমেন্ট মেডেল’। তিনশোর উপরে পড়ুয়া ডিগ্রি, শংসাপত্র পাবেন। মুকুট বলেন, “শেষ বার ২০২০ সালে সমাবর্তন হয়েছিল। অনেক পুরনো ছাত্রও এই দিনটার দিকে তাকিয়ে।” পালাবদলের পরে ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে বারাসতের রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়েই সমাবর্তন হল।