E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

হালাল না ঝটকা, মাংসের দোকানে লেখার ‘অনুরোধ’

এক মাংস বিক্রেতা বলেন, “বহু বছর ব্যবসা করছি। এমন নির্দেশিকা সরকারের তরফে পাইনি। কী করব বুঝতে পারছি না।”

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬ ০৬:৫৫

—প্রতীকী চিত্র।

ধর্মীয় সংগঠনের নাম করে বাজারে গিয়ে হালাল না ঝটকা, কোন পদ্ধতিতে মাংস কাটা হচ্ছে, বিক্রেতাদের তা দোকানের সামনে বোর্ডে লিখে রাখতে বলার অভিযোগ উঠল দুর্গাপুরে। রবিবার শহরের বেনাচিতির বিভিন্ন মাংসের দোকানে গিয়ে কয়েক জন নিজেদের ‘ধর্মচক্র’ সংগঠনের প্রতিনিধি দাবি করে এই অনুরোধ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সংগঠনের প্রতিনিধিদের দাবি, তাঁরা হিন্দু জাতীয়তাবাদ জাগরণে নিয়োজিত। এ দিন বেশ কিছু মাংসের দোকান ও রেস্তরাঁয় যান তাঁরা। বিক্রেতাদের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ করেন, মাংস হালাল না ঝটকা, তা দোকানের সামনে যেন লিখে রাখা হয়। সংগঠনের তরফে দীপ দাসের দাবি, “ক্রেতাদের অনেকেই আমাদের জানিয়েছেন, মাংসের দোকান বা রেস্তরাঁয়এই তথ্য মেলে না। তাই এই অনুরোধ করা হয়েছে।”

এক মাংস বিক্রেতা বলেন, “বহু বছর ব্যবসা করছি। এমন নির্দেশিকা সরকারের তরফে পাইনি। কী করব বুঝতে পারছি না।” কয়েকটি রেস্তরাঁর কর্মীদেরও দাবি,ক্রেতারা কেউ কখনও এই প্রশ্ন তোলেননি। শনিবার আসানসোলে ‘মুখ্য মার্গ’ সংগঠনের নাম করে কয়েক জন হোটেল-ধাবার বাইরে বোর্ডে মালিকের নাম লিখে রাখার ফরমান দেন। পশ্চিম বর্ধমানের তৃণমূল নেতা ভি শিবদাসনের অভিযোগ, “নানা ভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করা, ভয়ের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে।’’ সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য সিদ্ধার্থ বসুর দাবি, “প্রকাশ্যে বিভাজনের এমন চেষ্টা রাজ্যেআগে দেখা যায়নি।’’

বিজেপির দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই যদিও বলেন, “কী হয়েছে জানা নেই। কোন সংগঠন, তা-ও জানি না। দলের তরফে এমন দায়িত্ব কাউকে দেওয়াহয়নি। খোঁজ নিচ্ছি।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Meat shop Durgapur

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy