Advertisement
E-Paper

ধর্মঘট: ঘড়ির কাঁটায়

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কোথায়, কখন কী পরিস্থিতি তারই খতিয়ান।

শেষ আপডেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১৬:৪২
বীরভূমের মহম্মদবাজারে তৃণমূলের আঘাতে রক্তাক্ত সিপিএম কর্মী লক্ষ্মীন্দর কিস্কু। ছবি: অনির্বাণ সেন।

বীরভূমের মহম্মদবাজারে তৃণমূলের আঘাতে রক্তাক্ত সিপিএম কর্মী লক্ষ্মীন্দর কিস্কু। ছবি: অনির্বাণ সেন।

শিলিগুড়ি

১০টা এসইউসিআই অবরোধ তুলতে গিয়ে পুলিশ আহত। চারু মজুমদারের ছেলে, সিপিএমএল নেতা অভিজিৎ মজুমদার গ্রেফতার।

চা বাগান ৪০ শতাংশ বন্ধ। সরকারি অফিস ছাড়া শিলিগুড়িতে বনধ প্রায় সর্বাত্মক।

১১টা হিলকার্ট রোডে সিপিএমের মিছিল, ২৩জন গ্রেফতার।

১২টা হিলকার্ট রোডে অশোক ভট্টাচার্য মিছিল নিয়ে বেরোতে গিয়ে গ্রেফতার। বেলা আড়াইটে নাগাদ তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মালদহ

সকাল ১১টা মালঞ্চ রেলগেটের সামনে একটা বাসের কাচ ভাঙচুর। দেড়টা অবধি অবরোধ। নিজেরাই উঠে যায়। আহত, গ্রেফতার কিছুই হয়নি। সিএমওএইচের অফিসে ভাঙচুর চালায়। শহরে ঝলঝলিয়া মোড়ে বন্ধন ব্যাঙ্কে কর্মীরা ঢুকতে গেলে বাধা। কর্মীরা ফিরে যায়। শহরে রেলওয়ে হাইস্কুলে ছাত্রদের ঢুকতে বাধা, পুলিশ দু’জনকে বাধা, স্কুল খোলে।

দোকানপাট বন্ধ। বেসরকারি বাস, টোটো, অটো বন্ধ। স্কুলে-কলেজে উপস্থিতির হার কম, সরকারি অফিসে ভাল উপস্থিতি। গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নির্বিঘ্নে।

সিপিএম শহরে মিছিল, পথসভা করেছে। তৃণমূল বা কংগ্রেস পথে নামেনি।

গাজোলে পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে তৃণমূল সভাপতি ঢুকতে গেলে সিপিএমের বাধা, ধস্তাধস্তি।

জলপাইগুড়ি

সাড়ে ১০টা জলপাইগুড়িতে সিপিএম নেতা মানিক সান্যাল-সহ ১০৩জন গ্রেফতার।

মুর্শিদাবাদ

সকাল ১০টা বহরমপুর সিপিএম পার্টি অফিসের কাছে মিছিল শুরুর মুখে আটকায় পুলিশ। সময় পিছোতে রাজি না হলে প্রথমে পুলিশ, পরে তৃণমূল আক্রমণ করে। গুরুতর আহত গোপাল সরকার, পুলিশের লাঠির আঘাত প্রাক্তন সাংসদ মৈনুল হাসানকে।

সাড়ে ১১টা টেক্সটাইল কলেজ মোড়ে তৃণমূল কর্মীরা ফের লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করে সিপিএম পার্টি অফিসে। ভাঙচুর বাইক, সাইকেল, অফিসের আসবাব। অভিযোগ, পুলিশ সাক্ষী হয়ে রইল। চোঁয়াপুরে গাড়ি আটকে ভাঙচুর।

১২টা ডোমকলে সিপিএম মিছিলে বোমা। আহতের খবর নেই।

বীরভূম

১০টা মহম্মদবাজারে সিপিএম পার্টি অফিস থেকে মিছিল বেরোবার মুখে তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুর, বিধায়ক ধীরেন বাগদি আহত, তিন কর্মী গুরুতর আহত, সিউড়িতে রেফার।

সাঁইথিয়ায় সশস্ত্র তৃণমূল বাইকবাহিনী দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ। একটি গ্রামে বোমাবাজিরও অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

সিউড়ি, বোলপুর, রামপুরহাটে বনধের চেহারা। রামপুরহাটে সিপিএম-তৃণমূল ধস্তাধস্তি। রাস্তায় লোক নেই, বেসরকারি বাস নেই। সিউড়িতে সিপিএমের মিছিল। বোলপুর শহরে রূপপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূলের উপপ্রধানকে বাইকবাহিনী নিয়ে শহর দাপাতে দেখা গিয়েছে।

হুগলি

১০টা ও ১২টা কোন্নগরে তিনটে পার্টি অফিস ভাঙচুর। একটা পার্টি অফিসে আগুন। একটি ঘটনায় তিন মহিলা আহত, হাসপাতালে

দুপুর দেড়টা পার্টি অফিসে বৈঠক চলাকালীন চুঁচুড়া জোনাল অফিস ভাঙচুর করে।

দুপুর আড়াইটে চন্দননগর খলিসানি মহাবিদ্যালয়। ছাত্র-ছাত্রীরা আসলেও শিক্ষকরা আসেননি, অধ্যক্ষ ঘেরাও।

রেল অবরোধ
৭টা। গুপ্তিপাড়া ও তালান্ডু। মিনিট দশেকের জন্য। দোকানপাট বন্ধ। খাদিনা মোড় সুনসান।

পশ্চিম মেদিনীপুর

সকাল ৮টা ৪৫: বেলদায় বন্‌ধের সমর্থনে মিছিল বের করে এসইউসি। মিছিল শেষে বেলদার কেশিয়াড়ি মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিদ্যাভূষণ দে নামে এক এসইউসি কর্মী। সেই সময় বিদ্যাভূষণবাবুকে মারধরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূল অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সকাল ১০টা ৫৫ নারায়ণগড়ের চাতুরিভাড়ায় সিপিএমের লোকাল কমিটির কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। বুধবার বন্‌ধের সমর্থনে নারায়ণগড়ে মিছিল করে বামেরা। দলীয় কার্যালয়ে এসে মিছিল শেষ হয়। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা লাঠি নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায়। ঘটনায় জখম হন সিপিএমের চার কর্মী। আহতদের মকরামপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। তৃণমূলের দাবি, চাতুরিভাড়া বাজারে বামেরা জোর করে দোকান বন্ধ করছিল। সেই কারণে দলের কর্মীরা বাধা দেয়। তারপরে সামান্য হাতাহাতি হয়। হামলার অভিযোগ মিথ্যা।

দুর্গাপুর

সকাল ৬টা স্টেশনে সিপিএম-এর অবরোধ। ১২২ জন গ্রেফতার

বেসরকারি বাস বন্ধ। সরকারি বাসে যাত্রী নেই। অটো থাকলেও লোক নেই। দোকান অধিকাংশ খোলা, সরকারি-বেসরকারি অফিস স্বাভাবিক। কিন্তু রাস্তায় গাড়ি নেই। ২ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ। বড় মোড়গুলিতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন।

সকাল সাড়ে ৮টা পানাগড়ে সিপিএম মিছিল বার করার চেষ্টা করলে বাধা, অল্প ধাক্কাধাক্কি।

সকাল ৯টা জামুড়িয়াতে ইসিএল ডিপোতে সিপিএম তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে তৃণমূল এসে তালা ভাঙে। তা নিয়ে ধস্তাধস্তি। খানিক পরে সিপিএম দু’নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ ২৫জনকে গ্রেফতার করে। সেই সময়ে তৃণমূলও অবরোধকারীদের উপর হামলা করে।

বর্ধমান

সকাল সাড়ে ৮টা আউশগ্রাম বাজারে সিপিএম সমর্থক তিরধনুক হাতে নিয়ে দোকান বন্ধ করার আবেদন করছিল। বোমা-গুলি চালায় তৃণমূল। ছররা গুলি মাথায় লেগে একজন আহত হয়ে নার্সিং হোমে। এক পুলিশকর্মী বোমার স্প্লিন্টারে আহত। তিরে কয়েক জন তৃণমূলী আহত। ৮০-১০০ বোম পড়েছে। সিপিএম-এর আউসগ্রাম ১ উত্তর লোকাল কমিটির অফিসে গিয়ে ভাঙচুর, আগুন।

বর্ধমানে সব দোকান বন্ধ। বাস চলেনি। টোটো চলছে না। ভাতাড়ে দীঘা-বহরমপুর বাস ভাঙচুর। বাস চালাতে বাধা। সিপিএম বড় মিছিল করেছে। তৃণমূল আজ রাস্তায় বিশেষ নামেনি।

জেলা পরিষদে ৯জনের ৫জনই কর্মাধ্যক্ষ আসেনি। কর্মী থাকলেও লোকজন নেই। আদালতে বিচারক, আইনজীবী এলেও কোনও বিচারপ্রার্থী না আসায় ১২টায় কোর্ট বন্ধ করে দেয়।

রায়নার একটি স্কুল সিপিএম বন্ধ করতে চাপ দেয় বলে অভিযোগ।

general strike incidents general strike 2nd september west bengal violent strike wets bengal bandh

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy