E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

তারকেশ্বরে হামলা তৃণমূল নেতার বাড়িতে

রাত ১১টা নাগাদ শহরের পদ্মপুকুরে প্রাক্তন তৃনমূল পুরসদস্য মহম্মদ নইমের বাড়িতে ১০-১২ জন দুষ্কৃতী চড়াও হয়। মুখ কাপড়ে বাঁধা ছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ অগস্ট ২০২৬ ০৬:৫১
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

এলাকায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য বন্ধে সোমবার দুপুরে হুঁশিয়ারি দেন তারকেশ্বরের বিজেপি বিধায়ক সন্তু পান। ওই রাতেই তারকেশ্বর শহরে প্রাক্তন এক তৃণমূল পুরসদস্য এবং এক ব্যাবসায়ীর বাড়িতে হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। অভিযোগের তির বিজেপির বিরুদ্ধে। দু’জনেই থানায় লিখিত অভিযোগকরেছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।

অভিযোগ, রাত ১১টা নাগাদ শহরের পদ্মপুকুরে প্রাক্তন তৃনমূল পুরসদস্য মহম্মদ নইমের বাড়িতে ১০-১২ জন দুষ্কৃতী চড়াও হয়। মুখ কাপড়ে বাঁধা ছিল। তারা দরজায় লাথি মারে, জানলার কাচ ইট মেরে ভেঙে দেয়। জলের পাইপ লাইন ভেঙে দেওয়া হয়। বাড়ির সামনে পেট্রল ঢেলে দেওয়া হয়। নইম বলেন, ‘‘হামলা চালিয়েছে বিজেপির লোকেরা। ওরা বলে, ‘তৃণমূল করছিস! বেরিয়ে আয়, প্রাণে মেরে দেব’।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘মানুষ এই পরিবর্তন চায়নি। এই ভাবে আমাদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। দুষ্কৃতীদের ধরে শাস্তি দেওয়া হোক।’’

শান্তনু মণ্ডল নামে এক ব্যবসায়ীর অভিযোগ, পদ্মপুকুর দক্ষিণপাড়ে তাঁর বাড়ির দরজায় দুষ্কৃতীরা লাথি মারে। আওয়াজ পেয়ে তিনি বারান্দায় এলে মুখে কাপড় বাঁধা এক দুষ্কৃতী এক তৃণমূল নেতার বাড়ির খোঁজ করে। শান্তনু বলেন, ‘‘আমি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই। বলি, এটা ওই নেতার বাড়ি নয়। ছেলেটির সঙ্গী যুবকেরা বলে, ‘এটাই’। এরপরেই বাড়িতে ইট ছোড়ে। দরজার সামনে পেট্রল ঢেলে দেয়।’’

শুক্রবার রাতে পদ্মপুকুরে প্রাক্তন তৃণমূল পুরসদস্য উত্তম ভান্ডারীর কার্যালয়ে ভাঙচুর, তাঁকে-সহ দু’জনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বিজেপির লোকেদের বিরুদ্ধে। সোমবার দুপুরে সেখানে গিয়ে বিধায়ক পুলিশের সামনে নিদান দেন, ‘‘কেউ টাকা চাইলে, বেঁধে রাখুন। আমাকে খবর দিন। পুলিশে খবর দিন। দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য চলবে না।’’ দোষীদের গ্রেফতারের সময়সীমাও বেঁধে দেন পুলিশকে।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমেরসামনে সন্তু বলেন, ‘‘বারবার হাত জোড় করে পুলিশকে অনুরোধ করেছি, আবার করছি, এটা বন্ধ করুন। আপনাদের (পুলিশ) এত অসুবিধা কোথায় হচ্ছে? গ্রেফতার করুন। তোলাবাজি, গুন্ডাগিরি যারা করবে, তাদের ঠিকানা ঘর নয়, শ্রীঘর।এটা দলের রাজ্য সভাপতি ও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য।’’

হুগলি গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার কুনওয়ার ভূষণ সিংহ বলেন, ‘‘আইনি অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হলে তো গ্রেফতার করতেই হবে। পুলিশ কাজ করছে, ভাল ভাবেই করছে।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Tarakeshwar

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy