এলাকার দুষ্কৃতীদের নিয়ে দল গড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠল বিজেপির এক মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে। এই নিয়ে থানায় বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় মহিলারা। পুজোর চলাকালীন মহিলাদের এই বিক্ষোভ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাওড়ার জগাছা থানার সামনে।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিজেপির শিবপুর দু’নম্বর মণ্ডলের সভাপতি সন্দীপ মাল ওরফে রাজা ইছাপুর কামারডাঙা, শিয়ালডাঙা এলাকায় দুর্গাপুজোয় চাঁদার জুলুম করে দোকানদার, ছোট ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছেন। এ কাজে তাঁর সহায়ক দুষ্কৃতী বাহিনী। আরও অভিযোগ, এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা নিয়ে দুষ্কৃতীরা ঘুরছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাজা এলাকার পরিচিত দুষ্কৃতী। পাশাপাশি বিজেপির মণ্ডল সভাপতি হওয়ায় পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। যদিও পুলিশের দাবি, মূল অভিযুক্ত রাজার খোঁজে তল্লাশি চলছে।
গত বুধবার ইছাপুর কামারডাঙা এলাকায় নিজের দলের এক মণ্ডল সভাপতির দাদার কারখানায় লোক পাঠিয়ে চাঁদার জুলুমের অভিযোগ ওঠে রাজার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, দাবি মতো চাঁদা দিতে না চাওয়ায় বিজেপির শিবপুর ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি পল্লব ছড়ির দাদা পলাশ ছড়ি-সহ কারখানার চার কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে রাজার লোক। এমনকি, রিভলভারের বাট দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় পলাশের।
বিক্ষোভকারী মহিলাদের অভিযোগ, এর পরে পুলিশ রাজার ঘনিষ্ঠ এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করলেও রাজাকে এখনও ধরেনি। তাঁদের বক্তব্য, ‘‘রাজার অত্যাচারে এলাকার দোকানদার, কারখানার মালিকেরা অতিষ্ঠ। পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি।’’ হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘অভিযোগ পেয়েছি। চাঁদার জুলুমের ঘটনায় এক জনকে ধরা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। কাউকেই ছাড়া হবে না।’’