‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের সৌজন্যে অনুদান-জট কেটে রুসা প্রকল্পে প্রায় ৫০ কোটি বকেয়া টাকা ফিরে পেয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এতে জরুরি নির্মাণকাজ সারার আশা জেগেছে। তবে সরকারি নির্দেশ মেনে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়ে সংশয় রয়েছে। টাকার সদ্ব্যবহারে সময়সীমা বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (জুটা) কেন্দ্র ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীদের চিঠিতে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
রুসার নির্দিষ্ট খাতের বাইরে খরচে কর্তৃপক্ষের উপর চাপের অভিযোগ উঠেছে। সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড মেশিনলার্নিং গড়তে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার ১৮ কোটি টাকার প্রস্তাবে সবুজ সঙ্কেত দিতে প্রভাবশালী মহলের চাপ আসছে, দাবি শিক্ষকদের একাংশের। শিক্ষক ও প্রশাসকেরা আগ্রহী হলেও স্বল্প সময়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের অর্থকরী নীতি মেনে রূপায়ণ নিয়ে সংশয় এবং তড়িঘড়ি খরচে অনিয়মের শঙ্কা আছে।
জুটার মতে, রুসার প্রকল্প কার্যকর কমিটি বা কর্মসমিতির অনুমোদন ছাড়া টাকার সদ্ব্যবহার অসম্ভব। রাজ্যে সরকার বদলের পরে সে বৈঠক বন্ধ। নানা কাজ থমকে। কর্মসমিতির গঠন ও অস্থায়ী রেজিস্ট্রার ও ফিনান্স অফিসারের মেয়াদ বৃদ্ধির মতো সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ সঙ্ঘ-অনুগামী ‘অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক সমিতি’-র ঘনিষ্ঠ শিক্ষকরা বৈঠক চালুর বিরুদ্ধে রাজ্যপালের দ্বারস্থ। সরকারি অনীহা বা হস্তক্ষেপের চেষ্টার অভিযোগের মধ্যে শাসক দল ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, যাদবপুরের সর্বাঙ্গীন প্রসারে সরকার খুব উৎসাহী ও দায়বদ্ধ এবং সময়মতো সিদ্ধান্ত হবে।