E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মধ্যরাতে তরুণীকে মারধর করে ‘অপহরণ’, ধৃত এক

পুলিশ সূত্রের খবর, নিগৃহীতা তরুণী কাশ্মীরের বাসিন্দা, এখানে তিনি তিলজলায় থাকেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, অপহৃতা তরুণী এবং রাখি একে অপরের পূর্ব পরিচিত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ জুন ২০২৬ ০৬:৩৬

— প্রতীকী চিত্র।

রাত প্রায় ৩টে। শুনশান রাস্তায় অ্যাপ-নির্ভর মোটরবাইকের পিছনে বসে যাচ্ছিলেন এক তরুণী। সেই সময়ে বাইকটিকে তাড়া করে একটি গাড়ি। গাড়ি ধাওয়া করেছে বুঝে বাইকের গতি বাড়িয়ে দেন চালক। বেপরোয়া গতিতে বাইক ছোটাতে গিয়ে রাস্তার বাম্পারে পড়ে সেটি লাফিয়ে উঠলে তরুণীর হাতে থাকা দু’টি মোবাইল পড়ে যায় রাস্তায়। বাধ্য হয়ে মোবাইলগুলি তুলতে বাইক থামিয়ে নামেন ওই তরুণী। তখনই সেখানে পৌঁছে যায় গাড়িটি। অভিযোগ, গাড়ি থেকে এক যুবক ও এক তরুণী নেমে বাইকআরোহী ওই তরুণীকে মারতে মারতে গাড়িতে তুলে চম্পট দেন।

কোনও সিনেমার শুটিং নয়। শনিবার রাতে, মহম্মদ রফি আহমেদ কিদওয়াই স্ট্রিটে এই ঘটনাটি ঘটেছে। বাইক আরোহী তরুণীকে মারধর, যৌন হেনস্থা, অপহরণের ঘটনায় নিউ মার্কেট থানার পুলিশ এক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার হয়েছেন অপহৃতাও। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম রাখি সিংহ। আদতে তিনি মুম্বইয়ের বাসিন্দা হলেও কসবা এলাকায় থাকেন। ঘটনায় আর এক অভিযুক্ত যুবক পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে। রবিবার ধৃতকে ১৯ জুন পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতার মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত।

পুলিশ সূত্রের খবর, নিগৃহীতা তরুণী কাশ্মীরের বাসিন্দা, এখানে তিনি তিলজলায় থাকেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, অপহৃতা তরুণী এবং রাখি একে অপরের পূর্ব পরিচিত। প্রথমে দু’জনে একই পানশালার কর্মী ছিলেন। পরে রাখি অন্য পানশালায় কাজ নেন। ওই রাতে পানশালা থেকেই বাইকে ফিরছিলেন তরুণী। তখন অন্য পানশালা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে তাঁকে ধাওয়া করেন রাখিরা। বাইক আরোহী তরুণীকে মারধর, নিগ্রহ করে অপহরণ করা হলে ওই বাইকচালক পুলিশে যান। তদন্তে নেমে রাতেই ওই তরুণীকে উদ্ধারের পাশাপাশি, নিউ মার্কেট থানা এলাকা থেকে রাখিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুরনো কোনও শত্রুতার জেরে এই ঘটনা বলে প্রাথমিক ভাবে মতে তদন্তকারীদের।

এ দিন কোর্টে সরকারি আইনজীবী জানান, তদন্ত প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা প্রয়োজন। তাই তদন্তের স্বার্থে রাখির পুলিশি হেফাজতের আবেদন করেন তিনি। রাখিকে জামিন দেওয়ার আর্জি জানান তাঁর আইনজীবী। সেই আর্জি খারিজ করে দেয় কোর্ট।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
woman harassment

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy