ক্ষমতা হারানোর পরে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আয়োজনে কাটছাঁট করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য বারের মতো প্রাক্-স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচি শুক্রবার দেখা যায়নি। তবে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের আয়োজন রয়েছে আজ, শনিবার।
ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই মধ্যরাতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের কর্মসূচি পালন শুরু করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা নিজেই প্রাক্-স্বাধীনতা দিবসে বেহালা থেকে শুরু করে দক্ষিণ কলকাতার দু-একটি কর্মসূচি সেরে শ্যামবাজারে সুভাষচন্দ্রের মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতেন। এ বার বেহালা বা শ্যামবাজারের সেই কর্মসূচি হয়নি। দক্ষিণ কলকাতায় কয়েকটি জায়গায় কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এই রকম অনুষ্ঠানে থাকছে।
দলের দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতি বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘দলের কর্মসূচি সকালে হবে। হাজরা মোড়ে মধ্যরাতে ‘বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স’-এর আয়োজনে একটি অনুষ্ঠান রয়েছে।’’ জেলায় জেলায় দলের নেতা-কর্মীরা সকালেই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবেন। কালীঘাটে মমতার বাড়ি লাগোয়া অফিসের সামনে এই কর্মসূচির কথাওভাবা হয়েছে।
উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘স্বাধীনতা দিবস উদযাপনেও পুলিশি অনুমতি সমস্যা হচ্ছে। পদাধিকারীদের থানায় থানায় ডেকে পাঠানো হচ্ছে। এই অবস্থায়ও এই দিনটি পূর্ণ মর্যাদায় পালিত হবে।’’
কালীঘাটপন্থী দলের সংগঠনে কিছু নতুন নিয়োগ হয়েছে এ দিনই। যুব সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি করা হয়েছে মৃত্যুঞ্জয় পালকে। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মৌসুমী দে। উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতা জেলা যুব সংগঠনের সভাপতি হয়েছেন শ্রীদীপ দাস ও শক্তিপ্রতাপ সিংহ। রাজ্য মহিলা তৃণমূলের কাযর্করী সভানেত্রী হয়েছেন স্মিতা বক্সী।