আজ, শনিবার থেকে সরকারি স্কুলে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষা। এ দিকে, বহু স্কুল থেকে শিক্ষকদের যেতে হচ্ছে জনগণনার কাজের প্রশিক্ষণে। অনেক স্কুলও প্রশিক্ষণের কেন্দ্র হয়েছে। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষা কী করে সুষ্ঠু ভাবে মিটবে, বড় হয়ে উঠেছে সেই প্রশ্নই।
স্কুল শিক্ষা দফতর আগেই জানিয়েছে, দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষা অগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকে ১২ অগস্টের মধ্যে শেষ করতে হবে। কিছু স্কুল আজ থেকে পরীক্ষা নিতে শুরু করলেও অধিকাংশ স্কুলে তা শুরু হচ্ছে আগামী সোমবার। শিক্ষকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জনগণনার প্রশিক্ষণ চলবে তিন-চার দিন। তাঁদের প্রশ্ন, পরীক্ষায় নজরদারি করে তার পরে কী ভাবে প্রশিক্ষণ নেওয়া সম্ভব? কলকাতার জনগণনা বিভাগের অবশ্য দাবি, প্রশিক্ষণের সঙ্গে পরীক্ষায় নজরদারি করার সংঘাত হবে না। যে সব স্কুলে প্রশিক্ষণ চলবে, সেখানকার সব ক্লাসঘর নেওয়া হয়নি। তা ছাড়া, প্রশিক্ষণের সময় এবং পরীক্ষার সময় আলাদা। ফলে, যে শিক্ষকেরা প্রশিক্ষণ নেবেন, তাঁদের পরীক্ষায় নজরদারি করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
‘মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি’র নেতা অনিমেষ হালদার বলেন, ‘‘এই পরীক্ষা যে হেতু সব শ্রেণির জন্য, তাই ক্লাসঘর বেশি লাগে। একটি বেঞ্চে তিন জন করে পড়ুয়াকে বসতে হয়। ফলে, যে সব স্কুলে প্রশিক্ষণ হবে, সেখানে পরীক্ষা নেওয়া কঠিন। তা ছাড়া, কোনও শিক্ষক সকালে নজরদারি করে দুপুরে কী ভাবে প্রশিক্ষণে যাবেন? পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক।’’ ‘স্কুল অব হেডমিস্ট্রেসেস অ্যান্ড হেডমাস্টার্স’-এর সম্পাদক অরুণ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘শিক্ষকদের অসুবিধা হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা সহযোগিতা করছেন। পরীক্ষা দেড় ঘণ্টার। তাই পরীক্ষায় গার্ড দেওয়ার পরে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে যেতে হবে।’’