E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

ডেঙ্গি রুখতে তৎপর প্রশাসন

আক্রান্তের সংখ্যা তুলনায় কম হলেও বসে নেই জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দফতর। জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে কর্মীদের ব্লক ভিত্তিক বর্ষাকালীন প্রশিক্ষণ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ অগস্ট ২০২৬ ০৯:০০
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বর্ষায় বাড়ে ডেঙ্গি ও ম্যালেরয়িার প্রকোপ। তবে বিগত বছরগুলির থেকে শিক্ষা নিয়ে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে তৎপর ঝাড়গ্রাম জেলা স্বাস্থ্য দফতর ও জেলা প্রশাসন।

প্রশাসন সূত্রের খবর, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গিতে সরকারি ভাবে মাত্র ছ’জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে বেলপাহাড়ি ব্লকে চারজন ও জামবনিতে দু’জন। গত বছর ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৪। একই ভাবে চলতি বছরে জেলায় এখনও পর্যন্ত ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬৮ জন। জেলার মধ্যে বেলপাহাড়ি ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। গতবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪৮।

আক্রান্তের সংখ্যা তুলনায় কম হলেও বসে নেই জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দফতর। জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে কর্মীদের ব্লক ভিত্তিক বর্ষাকালীন প্রশিক্ষণ। প্রতিটি ব্লকে ভিএসটি (ভেক্টর সার্ভে টিম) ও ভিসিটির (ভেক্টর কন্ট্রোল টিম) ও সুপার ভাইজ়ারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য জেলা সমন্বয়ক অভিষেক রায় ও জেলা স্বাস্থ্য দফতরের জেলা পতঙ্গ বিশারদ ইন্দ্রনীল ঘোষ। এলাকাকে নির্মল রাখতে কী কী করতে হবে তা বুঝিয়ে বলা হচ্ছে।

ইতিমধ্যে নয়াগ্রাম বাদে সমস্ত ব্লকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি স্কুলে সচেতনতা শিবির করা হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক বলছেন, “স্কুল পড়ুয়ারা সচেতন থাকলে পরিবারের লোকজন বেশি সচেতন থাকবে। তাই স্কুলগুলিকে সচেতনতা শিবির করা হচ্ছে।” মশার লার্ভা রুখতে জেলাজুড়ে তিন লক্ষ ২০ হাজার গাপ্পি মাছ ছাড়া হবে। গত তিন বছর ধরে জামবনি ব্লকের একটি স্ব-সহায়ক দলের সদস্যরা তিনটি পুকুরে চাষ হচ্ছে।

প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, “ডেঙ্গি প্রতিরোধে মানুষের সতর্ক থাকাটা প্রয়োজন।” পঞ্চায়েত স্তরে ভিএসটি ও ভিসিটি, শহরে পুরসভার কর্মীরা কাজ করছেন। গ্রামাঞ্চলে ভিএসটি, ভিসিটি ও শহরে পুরসভার কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিদর্শন করছেন। কোথাও জল জমে রয়েছে কিনা তা দেখছেন।

ঝাড়গ্রাম শহরে ডেঙ্গি প্রতিরোধে প্রতি মাসে চার থেকে পাঁচটি পর্যায়ে কাজ হয়। পুরসভার মোট ৬৬টি সমীক্ষক দল রয়েছে। সেই দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন কেউ জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সতর্কও করছেন। পুরসভার ওয়ার্ড ভিত্তিক মশানাশক স্প্রে করা হচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক বলছেন, “চলতি বছরে পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তুবও আমরা সতর্ক রয়েছি।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Jhargram

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy