গোটা রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গি নিয়ে সচেতনতা তুঙ্গে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দিন দিন ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এরই মধ্যে শক্তিনগর হাসপাতালের ডেঙ্গির অ্যালাইজা পরীক্ষার যন্ত্র বিকল হয়ে পড়ল। অথচ প্রতিদিনই জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ডেঙ্গি পরীক্ষার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু জেলা হাসপাতালে ওই পরীক্ষা হচ্ছে না। ফলে রোগীদের ছুটতে হচ্ছে কল্যাণীতে।
জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রক্তের সিরাম পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা যায় যন্ত্রটি কাজ করছে না। ভালো করে পরীক্ষা করতেই দেখা যায় যন্ত্রের ভিতরের একাধিক পাইপ কেটেছে ইঁদুরে। আর তারপরই থেকেই থমকে ডেঙ্গির পরীক্ষা। ফলে তেহট্ট ও কৃষ্ণনগর সদর মহকুমা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার ‘সাসপেক্টেড’ ডেঙ্গি রোগীদের রক্ত পরীক্ষা করাতে হচ্ছে কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে।
শুক্রবারই একজন বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়রকে নিয়ে প্যাথলজি বিভাগে যান হাসপাতালের সুপার পার্থ দে। পরীক্ষা করে দেখা যায়, ইঁদুরে ওই যন্ত্রের একাধিক পাইপ কেটে দিয়েছে। আর যাতে প্যাথোলজির ভিতরে ইঁদুর ঢুকতে না পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে পূর্ত দফতর। এখন ওই যন্ত্র সারাইয়ের চেষ্টা চলছে। সুপার বলেন, “আজ, সোমবারের মধ্যেই যন্ত্রটি সারাই হয়ে যাবে।’’
জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তার কথায়, “এ জেলায় এখনও পর্যন্ত তেমন ভাবে ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা যায়নি। ফলে সে ভাবে সমস্যা হচ্ছে না।’’ জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তাপস রায় জানান, গত জানুয়ারি থেকে এই পর্যন্ত জেলায় ছ’জন ডেঙ্গির জীবানু মিলেছে। শনিবার তিন জন ও রবিবার দু’জনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সোমবার তা পাঠানো হবে জেএনএমে।