Advertisement
E-Paper

মালদহে রাতভর তল্লাশি এনআইএ-র, মোথাবাড়িকাণ্ডে দু’টি পৃথক মামলায় আরও ১৫ জন গ্রেফতার

এ মাসেই সুপ্রিম কোর্ট এনআইএ-কে নির্দেশ দিয়েছিল দ্রুত এই মামলার তদন্ত শেষ করতে হবে। দু’মাস সময়ও বেঁধে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১১:২৪
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

মালদহের মোথাবাড়িতে বিচারকদের হেনস্থা, বিডিও অফিসে তাণ্ডব এবং রাস্তা আটকে বিক্ষোভ দেখানোর ঘটনায় নতুন করে ১৫ জনকে গ্রেফতার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সূত্রের খবর, সোমবার গভীর রাতে কালিয়াচক এবং মোথাবাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযানে নামে এনআইএ। সেই অভিযানে ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এ পর্যন্ত মোট ৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হল।

ধৃত ১৫ জনকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারবিভাগীয় হেফাজতের আবেদন করে তদন্তকারী সংস্থা। ধৃতদের মোবাইল ফরেন্সিক পরীক্ষার জন‍্য আবেদন জানিয়েছেন এনআইএ-র আইনজীবী । ১৪ টি মোবাইল ফরেন্সিকের জন‍্য আবেদন করা হয়েছে। ধৃতদের জামিনের আবেদন করে আইনজীবী দাবি করেন, ধৃতদের কয়েক জন অন‍্যত্র ছিলেন, ঘটনাস্থলে ছিলেনই না।

এনআইএ সূত্রে জানানো হয়েছে, দু’টি আলাদা মামলায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক মহিলা বিচারককে হাবিবতলা এবং আমলিতলার মাঝে রাস্তায় আট ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে মূল অভিযুক্ত জোশিম শেখ এবং আসমুল শেখ-সহ ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আবার মোথাবাড়ি ব্লকের বাগমারা সেতুর কাছে রাস্তা অবরোধ করে রাখার অভিযোগে আলমগির শেখ, নুরুল ইসলাম এবং হাবিবুর রহমান নামে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ মাসেই সুপ্রিম কোর্ট এনআইএ-কে নির্দেশ দিয়েছিল দ্রুত এই মামলার তদন্ত শেষ করতে হবে। দু’মাস সময়ও বেঁধে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ওই মামলার শুনানিতে জানিয়েছিলেন, এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা আপাতত অব্যাহত থাকবে। যাঁদের ক্ষেত্রে হুমকির আশঙ্কা নেই বলে পুলিশ-সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করবেন, তাঁদের নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা যাবে। গত ১১ মে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার তদন্তের স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছিল এনআইএ।

প্রসঙ্গত, এসআইআর-এর বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা নামগুলির নিষ্পত্তির কাজ করছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা। মালদহের মোথাবাড়িতে ওই বিচারকদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয় গত এপ্রিলে। গভীর রাত পর্যন্ত তাঁদের কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতরে আটকে রাখা হয়েছিল। আটকে ছিলেন সাত জন বিচারক। তাঁদের হেনস্থার অভিযোগও ওঠে। এসআইআর-এর তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। ঘটনার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই এই ঘটনার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেয় নির্বাচন কমিশন। তবে তার আগেই রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি গ্রেফতার করে অন্যতম অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলামকে। আদালতে তাঁকে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির অন্যতম চক্রী বলে দাবি করা হয়। তার পর থেকে পর পর কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ।

Malda

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy