কুলবাগানে পাতা জালে আটকে গিয়েছিল বিষধর গোখরো সাপ। সেটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে সাপের ছোবলে গুরুতর জখম হলেন এক ব্যক্তি। ধূপগুড়ি ব্লকের গাদং এক গ্রাম পঞ্চায়েতের গোলাপ মুন্সি মোড় সংলগ্ন এলাকায়। আহত ব্যক্তির নাম পবন বিশ্বাস। তিনি সেই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য অর্চনা বিশ্বাসের স্বামী। জানা গিয়েছে, পবন সাপটিকে জাল কেটে উদ্ধার করার চেষ্টা করলে সেটি পবনকে ছোবল মারে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় ধূপগুড়ি মহাকুমা হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে অসুস্থ ব্যক্তিকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কোনও রকম প্রশিক্ষণ ছাড়াই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ভাবে সাপ ধরার প্রবণতা ভাবিয়ে তুলছে পরিবেশপ্রেমীদের। একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের সদস্য অনিকেত চক্রবর্তী বলেন, ‘‘উনি হয়তো সাপের প্রজাতি চিনতে পারেননি। নির্বিষ সাপ ভেবে নিজেই উদ্ধার করতে গেছেন। সাপ চিনতে না পারলে বিশেষজ্ঞদের ডেকে নেওয়া উচিত। প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনও প্রকার সাপ উদ্ধার করা বিপজ্জনক।’’ শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে পবনের। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ধীরেন্দ্রনাথ সরকার বলেন, ‘‘খবর পেয়ে আমি হাসপাতাল এসেছি। জানতে পারলাম ওঁকে জলপাইগুড়িতে রেফার করা হয়েছে। জালের মধ্যে একটি সাপ আটকে গিয়েছিল। জাল কেটে সেটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে।’’