E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে বিক্ষোভের মুখে মিতালি

আরামবাগের বালিয়া গ্রামের পিয়ালি প্রামাণিক চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান। মারা গিয়েছেন তাঁর ননদ টগর বেজ ও টগরের ছেলে সন্দীপ। পিয়ালির স্বামী সনাতন প্রামাণিক বলেন, “সাংসদ যখন এসেছিলেন, তখন বাড়ি ছিলাম না। উনি বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলেছেন।”

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬ ০৬:১৯
সাংসদের গাড়ি আটকে পড়েছে বিক্ষোভের জেরে।

সাংসদের গাড়ি আটকে পড়েছে বিক্ষোভের জেরে। — নিজস্ব চিত্র।

কলকাতার চোরবাগানের পুজো মণ্ডপে বিপর্যয়ে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে সোমবার বিক্ষোভের মুখে পড়লেন হুগলির আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ। তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ হয়। গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। ‘গো ব্যাক’ ধ্বনি ওঠে। কেন ঘটনার দু’দিন পরে তিনি এলেন, কেন বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে এলাকায় তাঁকে দেখা যাচ্ছে না— প্রশ্ন তোলেন বিক্ষোভকারীরা। সাংসদ অবশ্য গাড়ি থেকে নামেননি। কিছু ক্ষণ বিক্ষোভের পরে তাঁর দেহরক্ষীরা গাড়ি বার করে দেন।

আরামবাগের বালিয়া গ্রামের পিয়ালি প্রামাণিক চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান। মারা গিয়েছেন তাঁর ননদ টগর বেজ ও টগরের ছেলে সন্দীপ। পিয়ালির স্বামী সনাতন প্রামাণিক বলেন, “সাংসদ যখন এসেছিলেন, তখন বাড়ি ছিলাম না। উনি বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলেছেন।”

তৃণমূলের টিকিটে জিতে আসা মিতালি বর্তমানে এনসিপি শিবিরে। মিতালির দাবি, কয়েক দিন বাড়ির বাইরে থাকার পরে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি এলাকায় ফিরেছেন। সন্ধ্যার পরে ওই বাড়িতে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁর কথায়, “রাজনীতি করতে আসিনি, রাজনীতির কথা বলিওনি। মর্মান্তিক একটা ঘটনায় মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে গিয়েছি। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথাবার্তাও হয়েছে। গ্রামের বাইরে, মলয়পুর রাজাবাজারের কাছে কিছু অজ্ঞাতপরিচয় মানুষ কেন বিক্ষোভ দেখালেন, জানি না।”

বিক্ষোভকারীদের তরফে অসিত রায় বলেন, “আমরা সাধারণ গ্রামবাসী। মৃতের পরিবারের পাশে কেউ থাকুন, তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু এলাকায় ভোটের প্রচারের সময়েই শুধু দেখা গিয়েছে সাংসদকে। তার পরে দু’বছর এখানে পা রাখেননি উনি। বন্যাপ্রবণ মলয়পুর ১ পঞ্চায়েতের উন্নয়ন নিয়েও কোনও বার্তা নেই। এ সব কারণে ক্ষোভ প্রকাশ হয়েছে।” বালিয়া এলাকাটি পুরশুড়া বিধানসভায় পড়ে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, “সাংসদের থেকে প্রয়োজনীয় পরিষেবা না পেয়ে মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বলে জেনেছি।”

সোমবার সন্ধ্যায় চোরবাগানের ঘটনায় মৃত হুগলিরই বৈদ্যবাটী মালির‌বাগানের তরুণী শ্রীপর্ণা পোদ্দারের বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করেন শ্রীরামপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য। সঙ্গে ছিলেন হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনার সুনীলকুমার যাদব-সহ প্রশাসনের কর্তারা।

আজ, মঙ্গলবার বালিয়া গ্রামে পিয়ালির পরিবারের দেখা করতে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। শ্রীপর্ণার বাড়িতেও যাওয়ার কথা তাঁর।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
MP Protest

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy