ঝাড়গ্রাম জেলার এক প্রান্তে আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে চাপান-উতোর চলছে। সে আবহে ঝাড়গ্রাম জেলায় এক আদিবাসী যুবতীকে গণধর্ষণের অভিযোগে ছ’জনকে ধরল পুলিশ। শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে ‘নির্যাতিতার’।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ২০ অগস্টের। অভিযোগ দায়ের হয় বৃহস্পতিবার। সে রাতেই পুলিশ পাঁচ জনকে ধরে। শুক্রবার ঝাড়গ্রাম আদালত তাদের সাত দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে শুক্রবার দুপুরে ধূলাগড় থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে আজ, শনিবার আদালতে তোলা হবে। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা বলেন, ‘‘তদন্ত চলছে।’’
স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর চব্বিশের ওই যুবতী স্বামীর সঙ্গে থাকেন না। বাপের বাড়িতে সন্তানকে নিয়ে থাকেন। ঘটনার দিন তিনি বাজারে গিয়েছিলেন। পুলিশ সূত্রের দাবি, ঘটনায় মূল অভিযুক্ত যুবক মোটরবাইকে চাপিয়ে তাঁকে বাড়ি ছেড়ে চলে আসার প্রস্তাব দেয়। তার পরে সে তার পিসির ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরে, যুবতীকে সেই বাড়িতে রেখে সে চলে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে বাকি পাঁচ যুবক এসে যুবতীকে গণধর্ষণ করে বলে দাবি। ঘটনা জানালে খুনের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।
সম্প্রতি এক আদিবাসী নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে জেলায় বিক্ষোভ হয়েছে। সে ঘটনায় অভিযুক্ত জেল হেফাজতে রয়েছে। তার চূড়ান্ত শাস্তির দাবিতে এ দিনও আদিবাসী সমাজের ডাকে জমায়েত হয়। সেখানে ছিলেন ঝাড়গ্রামের এক এবং জঙ্গলমহলের আর এক জেলার এক বিধায়ক।
ঝাড়গ্রাম জেলার ওই বিজেপি বিধায়ক বেরোনোর সময় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁর দাবি, ‘‘পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। তার পরেও তৃণমূলের কিছু লোক এ সব করছে।’’ তৃণমূলঅভিযোগ মানেনি।