E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

পর্যটনে পাঁচ নীতি রাজ্যে, নজর বাজার বাড়ানোয়

আগের দিন স্বরাষ্ট্র দফতরের বাজেট বিতর্কে অংশ নিতে না-দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে এ দিনও স্পিকারের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ জুলাই ২০২৬ ০৭:২৬
মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।

মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। ছবি: এক্স।

সরকার বদলের পরে রাজ্যের পর্যটন ক্ষেত্রকে আরও কার্যকরী ভাবে ব্যবহারের পাঁচ দফা নীতি ঘোষণা হল বিধানসভায়। এক দিকে যেমন সকলের জন্য পর্যটনের দরজা খুলে দিতে চায় রাজ্য সরকার, তার পাশাপাশিই পর্যটন থেকে আরও রাজস্ব সংগ্রহের পথে যেতে চায় তারা। বিধানসভায় পর্যটন দফতরের বাজেট নিয়ে আলোচনার শেষে জবাবি ভাষণে সরকারের লক্ষ্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।

তার আগে অবশ্য বৃহস্পতিবারও উত্তেজনার রেশ ছড়িয়েছে বিধানসভায়। আগের দিন স্বরাষ্ট্র দফতরের বাজেট বিতর্কে অংশ নিতে না-দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে এ দিনও স্পিকারের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। আগের দিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর নিলম্বন নিয়ে এ দিন স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের পরিষদীয় নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। স্পিকার তখন জানান, আগের দিনের ওই ‘কলঙ্কজনক’ ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তাতেই অনড় থাকছেন। তখন স্পিকারের আসনের কাছে পৌঁছে ‘কলঙ্কজনক’ শব্দটি নিয়ে আপত্তি জানাতে থাকেন কুণাল। কিছু ক্ষণের বাদানুবাদে উত্তেজনা তৈরি হয়। কুণালের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন বিজেপির একাধিক বিধায়ক। কুণালের প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘‘গত কাল আপনি যা করেছেন, বিধানসভায় কোনও দিন তা হয়নি।’’ পরে কুণালের অভিযোগ, ‘‘শাসক, বিরোধী— দুই-ই বিজেপির! আমাদের কণ্ঠরোধ করছে।’’

পর্যটন-বাজেট নিয়ে জবাবি ভাষণে মন্ত্রী শঙ্কর এ দিন বলেছেন, ‘‘পাঁচটি নীতি নিয়েছি আমরা। এক, সম্ভাবনা থেকে সাফল্য। অর্থাৎ আমাদের যা আছে, সেখান থেকে সাফল্য নিয়ে আসব। দুই, সবার জন্য ভ্রমণ। তিন, নতুন বাংলার ব্র্যান্ডিং করা। চার, পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার। পাঁচ, উন্নয়নের জন্য অংশীদারিত্ব। এই পাঁচটির মধ্যেই সব কিছু করা সম্ভব হবে।’’ কেন্দ্র ও রাজ্যের পর্যটন নীতির সমন্বয় এবং এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাবনার কথা উল্লেখ করে শঙ্কর বলেছেন, “এই সরকারের সব থেকে বড় সুবিধা, কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বিত কার্যক্রমের সুফল পশ্চিমবঙ্গের মানুষ পাবেন। গত ১৫ বছর-সহ স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বড় সময় ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুযোগ থেকে রাজ্যবাসী বঞ্চিত থেকেছেন।” মন্ত্রীর মন্তব্য, “আগে কুয়োর ব্যাঙ ছিল পর্যটন দফতর! আগামী দিনে পর্যটনের বিশাল সমুদ্রে পৌঁছে যাওয়ার চেষ্টা করব আমরা।”

বিরোধী ও শাসক পক্ষের বিধায়কদের মতামত শোনার পরে জবাবি বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেছেন, পর্যটন ও কর্মসংস্থান পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থানের সঙ্গে পর্যটনের যোগাযোগকে গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশের পর্যটনকে প্রাধান্য, বিদেশ থেকে মানুষ এসে যাতে বিয়ের মতো নানা অনুষ্ঠান করেন, তাকে উৎসাহ দেওয়া, বিষয়ভিত্তিক পর্যটন-সার্কিটের মতো বিভিন্ন বিষয়ের উপরে প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা দাঁড়িয়ে রয়েছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Shankar Ghosh BJP

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy