বিজেপির হামলার মুখে পড়ার অভিযোগ তুললেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। উত্তর ২৪ পরগনার শাসনের খড়িবাড়ি-কীর্তিপুর ১ পঞ্চায়েতের ঘটনা। খড়িবাড়ি ও চকমুহারের তৃণমূলের দলীয় দফতরে ভাঙচুর ও তালা দেওয়া এবং আমিনপুরের কার্যালয়েও হামলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিযোগ মানেনি বিজেপি।
বারাসত ২-এর ১৭৫টি বুথের কর্মীদের নিয়ে রবিবার সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে এসে প্রাক্তন পুলিশকর্তা হুমায়ুনের অভিযোগ, “বিজেপির লোকজন বললেন, ‘বৈঠক করতে দেওয়া হবে না। কারণ, এখানে ১৫ বছর আমরা বৈঠক করতে পারিনি।’ লাথি মারা হয়েছে। পায়ে চোট লেগেছে।” স্থানীয় তৃণমূল নেতা আব্দুর রউফ জানান, সভায় প্রায় ৬০০ কর্মী এসেছিলেন। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি নেতা ভাস্কর মণ্ডল বলেছেন, “এখানে বিরোধীদের কর্মসূচি করতে দেওয়া হত না। এখন তৃণমূল সংগঠন গড়ার নামে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে। আইন মেনে প্রকাশ্যে সভা করলে আপত্তি নেই। লুকিয়ে-চুরিয়ে বৈঠক চলবে না।”
এ দিকে, ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের দফতরে অশান্তির ঘটনায় আগামী বুধবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হুমায়ুনকে তলব করেছে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। সমনের নোটিস ধরাতে তাঁর কসবার বাড়িতে যায় পুলিশ। হুমায়ুন তাঁর গাড়ির চালক মারফত বলে পুলিশকে জানিয়েছেন, আজ, সোমবারই তিনি থানায় হাজিরা দিতে চান।