প্রায় এক দশকেরও বেশি সময়ে ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওয়েসচেস্টারের গল্ফ ক্লাবের দেখভাল করতেন ওঁরা। ওঁদের মধ্যেই কেউ কেউ কোনও বছর সেরা কর্মচারীর পুরস্কারও জিতে নিতেন। সেই ওঁরাই আবার কাজ হারালেন।
ওঁরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি গল্ফ ক্লাবের ১২ জন অভিবাসী কর্মচারী। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে নিউইয়র্কে ট্রাম্পের ওই গল্ফ ক্লাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন তাঁরা। ওই কর্মচারীদের কৌঁসুলির তরফে জানানো হয়েছে যে, তাঁদের ব্যক্তিগত সব তথ্যই জানতেন ওই গল্ফ ক্লাবের ম্যানেজার। তা সত্ত্বেও তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি বলে জানিয়েছেন ওই কৌঁসুলি।
এই কর্মচারীদের অনেকেই ১৩-১৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন ওয়েস্টচেস্টারের ‘ট্রাম্প ন্যাশনাল গল্ফ ক্লাবে’। কর্মচারীদের ওই কৌঁসুলি অ্যানিবাল রোমারোর কথায়, ‘‘খুবই খারাপ একটা ঘটনা। এই লোকগুলোই ১২, ১৩, ১৪ বছর ধরে ওখানে কাজ করছেন। এমনকি ওঁদের মধ্যে একজনের কাছে ট্রাম্প পুত্র এরিক ট্রাম্পের ঘরের চাবিও ছিল।’’
আরও পড়ুন: চড়া সুদে হাঁসফাঁস! চিনের সঙ্গে যৌথ রেল প্রকল্প বাতিল করল মালয়েশিয়া
গত মাসেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিউ জার্সির আর একটি ক্লাবের কর্মচারীরা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন যে, বেআইনি ভাবে তাঁরা এ দেশে বসবাস করছেন। ক্লাবের ম্যানেজার সব কিছু জানা সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ করেননি।আর ঠিক তার পরেই ট্রাম্পের এই গল্ফ ক্লাবের কর্মচারীদের নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়। সে সব নথিপত্র খতিয়ে দেখার পরেই কাজ চলে যায় এই গল্ফ ক্লাবের কর্মচারীদের।
আরও পড়ুন: মঙ্গলের এই এলাকায় ছিল জলে ভরা হ্রদ, নাসার রোভার নামবে আগামী বছর
বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ট্রাম্প পুত্র এরিক ট্রাম্প। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা খুব গভীর ভাবে খতিয়ে দেখছি যে, ভুয়ো নথিপত্র জমা করে এখানে কেউ কাজ করছেন কি না। সে রকম কেউ ধরা পড়লেই তাঁর কাজ চলে যাবে।’’
ট্রাম্পের ব্যবসা সংক্রান্ত কাজকর্ম এখন দেখভাল করেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুই পুত্র এরিক ট্রাম্প এবং ডোনাল্ড জুনিয়র। গোটা বিশ্বে ‘দ্য ট্রাম্প অরগানাইজেশন’-এর মোট ১৭ গল্ফ ক্লাব রয়েছে।
(সারা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা নিয়েবাংলায় খবরপেতে চোখ রাখুন আমাদেরআন্তর্জাতিকবিভাগে।)