E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

স্পেনকে ফের হুমকি ট্রাম্পের, ইজ়রায়েল থেকে দূত প্রত্যাহার

আমেরিকা সম্পর্কে স্পেনের দাবি, তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থিতিশীল রয়েছে। স্পেনের বিদেশ মন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বলেন, ‘‘ওয়াশিংটনে আমাদের দূতাবাস স্বাভাবিক ভাবেই কাজ করছে।’’

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ ০৮:৪৩
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। — ফাইল চিত্র।

ফের স্পেনের সঙ্গে সমস্ত রকম বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছেদ করার হুমকি দিলেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ক্ষোভ, পশ্চিমি সামরিক জোট নেটোর প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কোনও প্রতিশ্রুতি মানছে না স্পেন। গাজ়ার গণহত্যা নিয়ে মাদ্রিদ গত বছর ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল। সেই থেকেই স্পেনের উপরে ক্ষুব্ধ আমেরিকা-ইজ়রায়েল। এ বারে ইরান-হামলারও বিরোধিতা করেছে মাদ্রিদ। তারা আমেরিকান যুদ্ধবিমানগুলিকে স্পেনের বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে দিতেও অস্বীকার করেছে। এ নিয়ে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো স্যাঞ্চেজ়ের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দেগেছেন ট্রাম্প। জানিয়েছেন, এর দাম দিতে হবে স্পেনকে। স্পেন অবশ্য নিজের অবস্থানে অনড়। তারা আজই ঘোষণা করেছে, ইজ়রায়েলের তেল আভিভ থেকে স্পেনের রাষ্ট্রদূত আনা সালোমনকে ফিরিয়ে আনা হবে। ইজ়রায়েলে স্পেনের কোনও রাষ্ট্রদূত থাকবে না। বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার অবশ্য আগেই এইপদক্ষেপ করেছে।

ক্ষুব্ধ ট্রাম্প আজ বলেন, ‘‘আমি জানি না স্পেন কী করতে চাইছে। আমরা সব সম্পর্ক ছেদ করতে পারি।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ওরা নেটোর জন্য খুব খারাপ।’’ ট্রাম্প যোগ করেন, নেটোর থেকে ওরা সব ‘সুরক্ষা’ পাচ্ছে, কিন্তু যখন ওদের দেওয়ার কথা, নিজেদের দিক থেকে ওরা জোট-সঙ্গীদের কিছুই দিচ্ছে না।

আমেরিকা-ইজ়রায়েলের সঙ্গে স্পেনের সম্পর্কের অবনতি ঘটে গাজ়ার যুদ্ধের সময়ে। গাজ়ার গণহত্যার প্রতিবাদ জানান স্যাঞ্জেজ়। এর পরেই তাঁকে ইহুদী-বিদ্বেষী বলে দেগে দেন ইজ়রায়েলের বিদেশ মন্ত্রী গিডিয়ন সার। স্পেনের দুই মন্ত্রীর ইজ়রায়েলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেন তিনি। এর পর স্পেন আনুষ্ঠানিক ভাবে প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দেয়। তাতে ক্ষুব্ধ ইজ়রায়েল স্পেন থেকে তাদের রাষ্ট্রদূত রোডিকা রেডিয়ান-গর্ডনকে দেশে ফিরিয়ে আনে। তার পর থেকে স্পেনে ইজ়রায়েলের কোনও রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত নেই। কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব করছেন ইজ়রায়েলের ‘চার্জ দ্য’অ্যাফেয়ার্স’ ডেনা এরলিক। এ বার স্পেনের দিক থেকেও একই ভাবে কূটনৈতিক আলোচনা চালানো হবে।

ও দিকে, আমেরিকা সম্পর্কে স্পেনের দাবি, তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থিতিশীল রয়েছে। স্পেনের বিদেশ মন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেস বলেন, ‘‘ওয়াশিংটনে আমাদের দূতাবাস স্বাভাবিক ভাবেই কাজ করছে।’’ তবে তিনি এ-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই স্পেন নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলাবে না এবং আমেরিকার ‘প্রজা’ হয়ে চলবে না।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
israel Iran

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy