তাইল্যান্ডের স্কুলে এলোপাথাড়ি গুলি চালাল নাবালক পড়ুয়া। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্লাস চলাকালীন আচমকাই বন্দুক উঁচিয়ে পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে ওই পড়ুয়া। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় স্কুলের ভিতরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এক শিক্ষক আসতেই তাঁকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। গুলিচালনার ঘটনায় ওই শিক্ষক-সহ চার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে তাইল্যআন্ডের শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন। মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে নন্থাবুড়ি প্রদেশের বাংক্রুয়াই জেলার একটি নামী স্কুলে। প্রাথমিক ভাবে বিভিন্ন সূত্রে ১০-১৫ জন আহত হওয়ার দাবি করা হলেও, পুলিশ এখনও চার জন আহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। নন্থাবুড়ি প্রদেশের পুলিশ প্রধান দেচারেপি কোংডি বিবিসি-কে জানিয়েছেন, হামলাকারী নবম শ্রেণির ছাত্র। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, তাইল্যান্ডের ওই স্কুলে ৩১০০ জন পড়ুয়া রয়েছে। শিক্ষকের সংখ্যা ১৪৭।
স্থানীয় বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, স্কুলে হামলা চালানোর পর ওই পড়ুয়া আত্মঘাতী হয়েছে। আবার অন্য কয়েকটি সূত্রের দাবি, পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে হামলাকারী পড়ুয়ার। তবে আততায়ী আত্মঘাতী হয়েছে, না কি পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে তার— তা নিয়ে প্রশাসনের তরফে কিছু জানানো হয়নি। এক পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, পড়ুয়াদের নিরাপদে বার করে আনাই প্রথম লক্ষ্য। শিক্ষকদেরও নিরাপদে বার করে আনার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু কী কারণে ওই পড়ুয়া স্কুলে হামলা চালাল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।