প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, টেক্সাস গির্জায় বন্দুকবাজের হামলার সঙ্গে বন্দুক আইনে গলদের সম্পর্ক নেই। এখন কিন্তু মার্কিন প্রশাসনই স্বীকার করছে, ব্যাপারটা অত সরল নয়। আইনের ভিতরের গলদ যদি নাও হয়, আইন মানার ক্ষেত্রে গলদ অন্তত ছিলই।
কী রকম? জানা গিয়েছে, ২৬ বছরের ওই বন্দুকবাজ ডেভিন প্যাট্রিক কেলি ২০১০ পর্যন্ত মার্কিন বায়ুসেনায় কাজ করত। পারিবারিক হিংসার দায়ে কোর্ট মার্শাল হয়ে তার চাকরি যায়। সে সময় ডেভিন নিউ মেক্সিকোর হলোম্যান বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ছিল। মার্কিন বন্দুক আইনে, কারও নামে হিংসাত্মক কাজের অভিযোগ থাকলে সে বন্দুক কিনতে পারবে না। জাতীয় ডেটাবেস খতিয়ে দেখে তবেই বন্দুক বিক্রির কথা। ডেভিন বন্দুক কিনতে পেরেছিল, কারণ, তার অপরাধের কথা হলোম্যান ঘাঁটিতে তদন্তকারী বায়ুসেনা অফিসার ডেটাবেস-এ তোলেননি। এই গাফিলতির কথা বায়ুসেনাই গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-কে জানিয়েছে।
রবিবারের হামলাও পারিবারিক হিংসার ওই ইতিহাসের সঙ্গেই জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে। স্ত্রী-সন্তানদের উপরে নির্যাতনের দায়ে চাকরি যাওয়ার পরেও নিজেকে শুধরোয়নি ডেভিন। শাশুড়িকে প্রায়ই হুমকি দিয়ে মেসেজ করত সে। শাশুড়ি নিয়মিত টেক্সাসের ওই গির্জায় আসতেন। হামলার দিন অবশ্য তিনি ছিলেন না। ছিলেন তাঁর মা। তিনি মারা গিয়েছেন হামলায়। ডেভিন বেছে বেছে কাউকে মারতে চায়নি। উপস্থিত সকলকে শেষ করে দেওয়াই তার লক্ষ্য ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।