ঝড়ের গতিতে ছুটে আসছিল একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি। মুখোমুখি সংঘর্ষে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল একাধিক যানবাহন। সংঘর্ষ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে দু’টি ই-রিকশা উল্টে যায়। বাইক থেকে শূন্যে কয়েক হাত উড়ে ছিটকে পড়েন এক আরোহী। ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় একটি স্কুটার, সাইকেলও। লুধিয়ানার ঘটনা। হাড়হিম করা সেই দুর্ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই তা ভাইরাল হয়েছে। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
আরও পড়ুন:
লুধিয়ানার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বাহাদুরকে রোডে ঘটা এই দুর্ঘটনার দৃশ্য সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে। সেই ফুটেজটিই এক্স হ্যান্ডলে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে ছুটে আসছে একের পর এক গাড়ি। দ্রুত গতিতে আসা একটি ইভি হঠাৎ করে একটি সাইকেল, একটি স্কুটার, একটি মোটরসাইকেল এবং দুটি ই-রিকশা-সহ ছ’টি যানবাহনকে ধাক্কা দেয়। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি গত ২৪ সেপ্টেম্বরের। এই ঘটনায় পাঁচ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
দুর্ঘটনা ঘটার ঠিক আগে, বিকেলের দিকে বাহাদুরকে রোডে স্বাভাবিক যানবাহন চলাচল করছিল। হঠাৎ, একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি দ্রুত গতিতে এসে এক বাইক আরোহী ও এক সাইকেল আরোহীর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটায়। প্রবল ধাক্কায় কয়েক ফুট শূন্যে উড়ে যান বাইকচালক। তার পর গাড়ি ধাক্কা মারে একটি ই-রিকশাকে। রিকশাটি উল্টে যায়। ছিটকে পড়ে যান চালক। সেই ভয়াবহ দৃশ্যের ফুটেজই প্রকাশ্যে এসেছে সমাজমাধ্যমে। দুর্ঘটনায় পাঁচ জন আহত হয়েছেন। তার মধ্যে ধাক্কা খাওয়া একটি ই-রিকশার চালক যতিন্দর পাল সিংহও রয়েছেন। যতিন্দর দাবি করেছেন যে, গাড়িটি ঘণ্টায় আনুমানিক ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে চলছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, গাড়িটির চালক সম্ভবত মদ্যপ ছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। চালককেও পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভিডিয়োটি এক্স হ্যান্ডলে ‘কনটেন্টকিকমি’ নামে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়োটির ভয়াবহতা দেখে আঁতকে উঠেছেন নেটাগরিকেরা। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘গাড়ির চালককে যিনি লাইসেন্স দিয়েছেন তাঁকে সকলের আগে কারাদণ্ড দেওয়া উচিত।’’