রাজ্যের স্কুলগুলির পঠনপাঠনের দিগনির্দেশ (গাইড) করবে এনসিইআরটি। সোমবার রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ জানান, এ ব্যাপারে এনসিইআরটি-র সঙ্গে রাজ্যের সমঝোতাপত্র (মউ) স্বাক্ষর হবে। ২০২৮ সাল থেকে রাজ্যের পাঠ্যবই তৈরি করতে এনসিইআরটি-র পরামর্শও নেওয়া হচ্ছে। সিলেবাস কমিটির সদস্যেরাও এনসিইআরটি-র সাহায্য নিচ্ছেন। দীপক বলেন, “এনসিএফ (ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক)-এর মাধ্যমে স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের কী পড়ানো হবে এবং কী ভাবে পড়ানো হবে, মূল্যায়নের পদ্ধতি কী হবে—তার রূপরেখা তৈরি হবে।”
স্কুলপাঠ্য বইয়ে এনসিইআরটি-র তৈরি সিলেবাস নিয়ে ইতিমধ্যেই শিক্ষক মহলে নানা অভিযোগ উঠেছে। এ বার রাজ্যের সিলেবাসেও সেই বিতর্কের ছায়া পড়বে কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। এ দিন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী এ-ও জানান, ইউডাইস প্লাস পোর্টালে স্কুলের তথ্য নথিভুক্ত না করলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের ইউডাইস পোর্টালের নম্বর প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। তাতে স্কুল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, “সরকারি বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলি ইউডাইস প্লাস পোর্টালে তথ্য দিলেও বহু বেসরকারি স্কুল তা করছে না। তার ফলে রাজ্যের স্কুল পড়ুয়ার সংখ্যা ঠিক মতো জানা যাচ্ছে না।”