ত্রিপুরা সুন্দরী এক্সপ্রেসে তল্লাশি চালিয়ে চার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল আরপিএফ। অভিযোগ, তাঁরা অবৈধ ভাবে ভারতে ঢুকেছিলেন। ট্রেন ধরে উত্তরবঙ্গ হয়ে পঞ্জাব যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পুলিশের সন্দেহ, চার জনেই রোহিঙ্গা।
রেলের একটি সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে ট্রেন থামার পরে আরপিএফ এবং এনজেপি জিআরপি-র যৌথ অভিযানে জেনারেল কামরা থেকে চার সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। গোপন সূত্রে আরপিএফ জানতে পেরেছিল, বাংলাদেশ থেকে ঢুকেছেন চার রোহিঙ্গা। তাঁরা পঞ্জাব যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি ছিল। আরপিএফের সঙ্গে অভিযানে এনজেপি স্টেশনে ছিলেন জিআরপি-র আধিকারিকেরাও।
শুক্রবার রাতে ত্রিপুরা সুন্দরী এক্সপ্রেস নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের ৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢোকে। শুরু হয় জেনারেল কামরায় তল্লাশি। চার যাত্রীর পরিচয় জানতে গেলে তাঁদের কথাবার্তায় বেশ কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তার পর চার জনকে আরপিএফ পোস্টে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁদের এনজেপি জিআরপি-র হাতে তুলে দেওয়া হয়। ধৃতদের বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতদের নাম মোহাম্মদ সালাম, মোহাম্মদ সুফায়েদ, মোফিজুর রহমান এবং জয়নুব বিবি। তাঁদের দেওয়া ঠিকানা মায়ানমারের বলে জিআরপি সূত্রে খবর।
আরও পড়ুন:
তদন্তকারীদের অনুমান, ধৃতেরা বেশ কিছু দিন ধরে বাংলাদেশে বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকেন। অসম থেকে ট্রেন ধরে পঞ্জাব যাচ্ছিলেন। কী ভাবে তাঁরা ভারতে প্রবেশ করলেন, সীমান্ত পারাপারে তাঁদের কে বা কারা সাহায্য করেছিলেন এবং কী উদ্দেশে পঞ্জাব যাচ্ছিলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে। ধৃতদের সঙ্গে কোনও পাচারচক্র কিংবা অন্য কোনও সংগঠিত চক্রের যোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিআরপি-র এসআরপি ইন্দ্রবদন ঝা বলেন, ‘‘চার জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ নতুন নিয়ম অনুযায়ী তাদের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে৷’’