গত বছর পুজোর সময়ে সপ্তমীর দিন শিয়ালদহ স্টেশনে এক দিনে ২১ লক্ষ যাত্রীর ভিড় হয়েছিল। এ যাবৎ কালের মধ্যে ভিড়ের নিরিখে যা সর্বোচ্চ। তবে, আগামী পুজোয় এই সংখ্যা ছাড়িয়ে যেতে পারে ধরে নিয়ে পুজোর ভিড় নিয়ন্ত্রণে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রস্তুতি শুরু করে দিল। শিয়ালদহ স্টেশন ছাড়াও ওই ডিভিশনের অন্যান্য স্টেশনে কেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা জানতে বৃহস্পতিবার বিভিন্ন স্টেশনের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের মতামত শুনলেন ডি আর এম রাজীব সাক্সেনা। রেলকর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া মতামতে বিধাননগর স্টেশনে সাবওয়ের পরিকাঠামো উন্নত করার দাবি উঠে এসেছে।
ব্যারাকপুর স্টেশনের রানাঘাট প্রান্তের ফুট ওভারব্রিজের কাছে বুকিং কাউন্টার না থাকায় যাত্রীদের অনেকেই অসুবিধার মুখে পড়েন। ওই অংশে অতিরিক্ত বুকিং কাউন্টার খোলার ব্যবস্থা করবে রেল। দমদম স্টেশনে যাত্রীরা যাতে নির্দিষ্ট পথ দিয়ে স্টেশনে ঢুকতে ও বেরোতে পারেন এবং মেট্রোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ট্রেনে ওঠানামা করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করার কথাও উঠে এসেছে। এ ছাড়াও শিয়ালদহ, বালিগঞ্জ এবং দমদম স্টেশনে ভিড়ের কথা মাথায় রেখে শৌচালয়ের পরিকাঠামো উন্নত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
রেলের পক্ষ থেকে এই সব সমস্যার সমাধান করা ছাড়াও বিভিন্ন স্টেশনে নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হবে এবং সিসি ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হবে। ভিড়ের প্রবণতা খতিয়ে দেখে লোকাল ট্রেনের সংখ্যাও গত বারের তুলনায় বাড়ানো হবে বলে রেল সূত্রের খবর। এ ছাড়া, ভিড়ের মধ্যে শিশু এবং মহিলাদের যাতে সমস্যা না হয়, সে দিকে লক্ষ রাখার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থাও আঁটোসাঁটো করা হবে।