বড় অস্ত্র চক্রের ছক বানচাল করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। গত ১৭ দিন বিভিন্ন দিকে অভিযান চালিয়ে অবশেষে ভিন্রাজ্য থেকে ওই চক্রের মাথাদের গ্রেফতার করল তারা।
গত ২৫ সেপ্টেম্বর পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর থেকে মহম্মদ ফারহান ওরফে মুসান নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে এসটিএফ। গ্রেফতারির পর তাঁর আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে দু’টি পিস্তল, দু’টি ম্যাগাজ়িন এবং ২০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ। তার পরেই অস্ত্র চোলাচালানকারী চক্রে খোঁজে অভিযান শুরু করে। কোন পথে অবৈধ অস্ত্র পাচার হয়, ওই অস্ত্র কারবারের মাথায় কারা আছে— তা অনুসন্ধান চালাতে থাকে পুলিশ। টানা ১৭ দিন সেই অভিযানের পর সাফল্য মিলল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিহার, ঝাড়খণ্ডে পৌঁছে যায় এসটিএফের টিম। চক্রের মাথাদের গোপন আস্তানায় হানা দিয়ে গ্রেফতার করে।
২৫ সেপ্টেম্বর ফারহানকে জমুই থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শাহনাজ় আলম ওরফে গুড্ডু নামে এক যুবকের খোঁজ পায় পুলিশ। তাঁর খোঁজে এসটিএফের দল হানা দেয় বিহারের মুঙ্গেরে। সেখান থেকে শাহনাজ়কে গ্রেফতার করা হয়। ওই চক্রে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে গিয়ে আরও দু’জনের অনুসন্ধান পান তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন:
গত ১০ অক্টোবর, শনিবার ঝাড়খণ্ডের হজারিবাগ এবং জুমই থেকে দুই ব্যক্তি করা হয়। এসটিএফের জালে ধরা পড়েন হজারিবাগের গণেশ রানা এবং জমুইয়ের পবনকুমার সিংহ। এই কয়েক দিনে বিভিন্ন দিকে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে উদ্ধারকারী দল। এ ছাড়াও প্রায় চার লক্ষ টাকা নগদও উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের অনুমান, অবৈধ অস্ত্র বিক্রি করে সেই টাকা পেয়েছেন ধৃতেরা। এই চক্রের নেপথ্যে আরও কেউ রয়েছেন কি না, তার খোঁজ চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।