প্রযুক্তির চাহিদা এবং প্রতিযোগিতা-মূলক চাকরির বাজারে সফল হতে গেলে ডিগ্রির পাশাপাশি চাই কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা। এখানেই ছাত্রছাত্রীদের পথচলার সঙ্গী ‘এনএসএইচএম নলেজ ক্যাম্পাস’, দুর্গাপুর। এটি কর্মসংস্থান কেন্দ্রিক শিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনার পাশাপাশি সমান গুরুত্ব দিচ্ছে কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুতিকেও।
১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘এনএসএইচএম নলেজ ক্যাম্পাস’ দীর্ঘ দশক ধরে স্বমহিমায় উজ্জ্বল। আর হবে না-ই বা কেন! ৩৫টিরও বেশি স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্সের মাধ্যমে ‘এনএসএইচএম’ দিচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি, হসপিটালিটি এবং স্বাস্থ্যবিজ্ঞান-সহ একাধিক বিষয় শিক্ষার সুযোগ।
কেন অন্যদের থেকে আলাদা ‘এনএসএইচএম’? এমনটা যদি প্রশ্ন করা হয়, তবে উত্তর হবে, কেবলমাত্র বইয়ের তত্ত্বে বিশ্বাসী নয় এই ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুমের গণ্ডির বাইরে কাজ করবেন, গবেষণা-ভিত্তিক কাজ সামলাবেন, তবেই না প্রস্তুত হবেন ভবিষ্যতের জন্য!
বিশেষত, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে যেখানে ‘এআই’, মেশিন লার্নিং, সাইবার সিকিউরিটির মতো বিষয়গুলি নিয়ে দক্ষতার চাহিদা বাড়ছে, সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই ‘এনএসএইচএম’ হাত মিলিয়েছে ‘আইবিএম স্কিলবিল্ড’, ‘এডব্লিউএস অ্যাকাডেমী’ এবং ‘ইনফোসিস’-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবা বিভাগের কথা মাথায় রেখে ‘এনএসএইচএম’ সুযোগ দিচ্ছে মনোবিজ্ঞান, অপটোমেট্রি, রেডিওলজি এবং ডায়েটেটিক্স নিয়ে পড়াশোনারও।
সম্পূর্ণ কোর্স শেষ হলে তবেই কর্মসংস্থান, সেই পথে হাঁটতে নারাজ এই ক্যাম্পাস। শিক্ষাজীবনের প্রথম দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুতি। এটির প্লেসমেন্ট সেল বর্তমানে যুক্ত রয়েছে ৫০০টির-ও বেশি সংস্থার সঙ্গে। তালিকায় রয়েছে ‘অ্যামাজন’, ‘কগনিজেন্ট’-এর মতো স্বনামধন্য সংস্থা। তাহলে আর দেরি কেন? উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি সফল কর্মজীবনের লক্ষ্যে নিজেকে গড়ে তুলতে চাইলে ‘এনএসএইচএম’ই হতে পারে একমাত্র লক্ষ্য।
এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি 'এনএসএইচএম নলেজ ক্যাম্পাস'-এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।