শরতের কলকাতা মানেই শুধুই এক শহর নয়, আনন্দের ক্যানভাস। ঢাকের কাঠি, আলো ঝলমলে প্যান্ডেল আর শিউলির গন্ধে মেতে ওঠে পুরো শহর। কিন্তু এই আনন্দ পেরিয়ে যদি শহরের হাসপাতালগুলির দিকে চোখ রাখা যায়, তবে ছবিটা অনেকটাই আলাদা।
রোগী এবং তাঁদের পরিজনদের কাছে পুজোর এই পাঁচটি দিন বড় কষ্টের, বড্ড একাকীত্বের। ঢাকের শব্দ বাইরে বাজলেও মনের ভেতরে বাজে প্রিয়জনদের থেকে দূরে থাকার সুর।
এই বিষণ্ণতাকে মুছে ফেলতেই এই বছর এগিয়ে এসেছে 'স্টার হেলথ ইনসিওরেন্স'। এবিপি ডিজিটালের যৌথ উদ্যোগে সূচনা হয়েছিল 'স্টার হেলথ শুভ সুরক্ষা’ কর্মসূচি। পরিকল্পনা ছিল খুব সাধারণ, অথচ হৃদয়স্পর্শী— রোগীরা যদি মণ্ডপে যেতে না পারেন, তবে পুজোর আনন্দই পৌঁছে যাবে তাঁদের দোড়গোড়ায়।
স্টার হেলথের 'প্রথম নেটওয়ার্ক' হাসপাতালগুলিতে ভর্তি থাকা রোগী ও তাঁদের সঙ্গে থাকা পরিজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয় পুজো পার্বণের চিরাচরিত ভোগ। শুধুমাত্র ভোগ বিতরণ নয়, এটি ছিল অচেনা হাসপাতালের চার দেওয়ালের মধ্যে এক টুকরো ঘরের স্বাদ ও উৎসবের অনুভূতি।
এই ভাবনার নেপথ্যে ছিল মাটির টানে পৌঁছনোর এক আন্তরিক মেলবন্ধন। এ প্রসঙ্গে 'ব্লু স্কাই মিডিয়া গ্রুপ'-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা তরান্নুম আলম ও হরবীর সিং জানান, “আমরা বিশ্বাস করি, যে উদ্যোগ মানুষের মন ছুঁয়ে যায়, সেটাই আসল কাজ। পুজো কলকাতার আবেগ। আনন্দবাজার ও এবিপি গ্রুপের মাধ্যমেই এই বঙ্গ সংস্কৃতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়া সম্ভব। হাসপাতালে ভোগ পৌঁছে দেওয়া একটা ছোট পদক্ষেপ হলেও, এর পেছনের অনুভূতিটা অনেক বড়। ব্র্যান্ডের উদ্দেশ্যকে শহরের আবেগের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার এটাই সঠিক মাধ্যম।”
সংস্থার এই চিন্তা ভাবনাকে আরও স্পষ্ট করেছেন স্টার হেলথের ডিজিটাল ও ব্র্যান্ড বিভাগের প্রধান কথা কার্তিক। তিনি বলেন, “দুর্গাপুজো মানেই তো একসঙ্গে থাকা, ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু অসুস্থতার কারণে যাঁরা উৎসব থেকে দূরে, তাঁদের মনে যে শূন্যতা থাকে তা মেটানোই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য। আমাদের বিশ্বাস, ছোট ছোট কিছু আন্তরিক পদক্ষেপই আসল স্বস্তি ও আপন করে নেওয়ার অনুভূতি এনে দিতে পারে।”
২০ বছর পার করে স্টার হেলথ ইনসিওরেন্সের এই 'শুভ সুরক্ষা' প্রয়াস কেবল একটি প্রচার অভিযান নয়, তাঁদের মূল অঙ্গীকার “উই হ্যাভ গট ইউ কভার্ড”-এর এক জলজ্যান্ত উদাহরণ। চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রথাগত সুরক্ষার বাইরে গিয়েও যে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে, এ ঘটনা তা-ই প্রমাণ করে।
মণ্ডপের জমকালো আলো বা চোখ ধাঁধানো থিমের বাইরে গিয়েও যে পুজোর আনন্দ উদযাপন করা যায়, হাসপাতাল জুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই টুকরো হাসিগুলিই ছিল তার বড় প্রমাণ।
এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিও’-র উদ্যোগে প্রকাশিত।