E-Paper

দু’মাসেই ৭৫ শতাংশের বেশি ফ্ল্যাট বিক্রি! নিউ টাউনের আবাসন প্রকল্পে কেন বাড়ছে চাহিদা?

প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার মাত্র দু’মাসের মধ্যেই লঞ্চ হওয়া ফ্ল্যাটের ৭৫ শতাংশেরও বেশি বিক্রি হয়ে গেছে। একই সঙ্গে ফ্ল্যাটের দামও প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে।

এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো

শেষ আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৬ ১৭:৫২
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

কলকাতার রিয়েল এস্টেট বাজারে নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া থ্রি-তে গড়ে ওঠা একটি বৃহৎ আবাসন প্রকল্প - ‘বিনায়ক ২১ একরস্’। প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার মাত্র দু’মাসের মধ্যেই লঞ্চ হওয়া ফ্ল্যাটের ৭৫ শতাংশেরও বেশি বিক্রি হয়ে গেছে। সংখ্যাটা ৪৫০-এর বেশি। শুধু তাই-ই নয়, এই সময়ের মধ্যেই ফ্ল্যাটের দামে প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে, যা বর্তমান বাজারে বেশ নজরকাড়া ঘটনা।

এই সংখ্যাগুলো প্রমাণ করে, বাড়ি কিনতে আগ্রহী মানুষ এই প্রকল্পের বিশেষত্ব বুঝেছেন এবং তার ওপর ভরসা রেখেছেন। কেন এই প্রকল্প এত মানুষের পছন্দ হয়েছে, তা জানতে হলে এর অবস্থান, প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য এবং নির্মাতা সংস্থা সম্পর্কে জানা দরকার। এই তিনটি দিকই প্রকল্পটিকে আলাদা করে তুলেছে।

আধুনিক জীবনযাপনের জন্য পরিকল্পিত টাউনশিপ

‘বিনায়ক ২১ একরস্’ (ফেজ় ১ - WBRERA/P/SOU/2026/004147 এবং ফেজ় ২ - WBRERA/P/SOU/2026/004275) এটি নিউ টাউন অ্যাকশন এরিয়া III-তে, ইনফোসিসের কাছে অবস্থিত।

প্রকল্পের প্রথম ধাপে রয়েছে জি+২১ তলা (অনুমোদিত) বিশিষ্ট পাঁচটি উচ্চ-আবাসিক টাওয়ার, যেখানে ৭৫০টিরও বেশি দুই বিএইচকে, আড়াই বিএইচকে এবং তিন বিএইচকে ফ্ল্যাট থাকবে। ভবিষ্যতে আরও পাঁচটি টাওয়ার তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে ৯০০টিরও বেশি নতুন ফ্ল্যাট হবে।

সব মিলিয়ে এই টাউনশিপে ১,৭০০-রও বেশি পরিবারের বসবাসের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা এটিকে কলকাতার অন্যতম বড় আবাসন প্রকল্পে পরিণত করেছে। এছাড়াও, এখানে ৮০টিরও বেশি বিলাসবহুল ভিলারও পরিকল্পনা রয়েছে।

৭৫ শতাংশ খোলা জায়গা

এই প্রকল্পের অন্যতম বড় আকর্ষণ হল এর বিশাল খোলা জায়গা। মোট জমির প্রায় ৭৫ শতাংশই উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। টাউনশিপের কেন্দ্রে রয়েছে প্রায় তিন একরের একটি বড় পার্ক, যেখানে থাকবে সবুজ বাগান, শিশুদের খেলার জায়গা, খোলা লন এবং কাবানা।

ক্লাব, সুইমিং পুল ও খেলাধূলার জন্য বিশাল জায়গা

প্রতিটি আবাসিক পর্যায়ে রয়েছে আলাদা ক্লাবের ব্যবস্থা। বাসিন্দারা এখানে ইনফিনিটি সুইমিং পুল, শিশুদের জন্য আলাদা পুল, জ্যাকুজি, জিম, যোগ ও মেডিটেশন রুম, ব্যাঙ্কোয়েট হল-সহ ২৫টিরও বেশি সুবিধা পাবেন।

খেলাধূলার জন্য রয়েছে ক্রিকেট খেলার জায়গা, ২২ হাজার বর্গফুটের ফুটসল গ্রাউন্ড, ১৭৫ মিটারের অ্যাথলেটিক ট্র্যাক, লন টেনিস কোর্ট, বাস্কেটবল কোর্ট, পিকলবল কোর্ট, স্কেটিং রিঙ্ক, সাইক্লিং ট্র্যাক এবং জগিং ট্র্যাক। এছাড়াও পোষ্যদের জন্য আলাদা পার্ক রয়েছে। নিকটবর্তী মেট্রো স্টেশনে যাতায়াতের জন্য শাটল পরিষেবার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব নির্মাণ

প্রকল্পটি ‘আইজিবিসি প্ল্যাটিনাম গ্রিন বিল্ডিং প্রি-সার্টিফিকেশন’ পেয়েছে, যা দেশের সর্বোচ্চ পরিবেশবান্ধব নির্মাণ স্বীকৃতিগুলির মধ্যে অন্যতম। শক্তি সাশ্রয়ী পরিকল্পনা, বৃষ্টির জল সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের মতো নানা বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় সুবিধা

নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া III বর্তমানে কলকাতার অন্যতম দ্রুত বিকাশমান এলাকা। প্রকল্পটি ইনফোসিস ক্যাম্পাসের সংলগ্ন হওয়ায় আইটি পেশাদারদের কাছে এটি বিশেষ আকর্ষণীয়।

‘বিনায়ক ২১ একরস্’ হাতিশালায় ইনফোসিস ক্যাম্পাসের পাশেই অবস্থিত। রাজারহাট মেন রোড, ভিআইপি রোড এবং নিউ টাউনের প্রধান সড়কের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ থাকায় যাতায়াতে কোনও অসুবিধা হয় না।

এখান থেকে বিশ্ব বাংলা গেট মাত্র ১২ মিনিট, সল্টলেক সেক্টর V ২০ মিনিট, সিটি সেন্টার ২ প্রায় ২৫ মিনিট এবং সায়েন্স সিটি প্রায় ৩০ মিনিটের দূরত্বে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও খুব সহজে পৌঁছানো যায়। তাই অফিসযাত্রী এবং পরিবারের জন্য এই জায়গাটি খুবই সুবিধাজনক।

উন্নত পরিকাঠামো, মেট্রো সংযোগ, আইটি ও ফিনটেকে কাজের সুযোগ, ৬ কিলোমিটারের মধ্যে ‘সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটি’-সহ একাধিক নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং পরিকল্পিত নগর পরিকাঠামো, সবকিছু একসঙ্গে এই এলাকাকে বিশেষ করে তুলেছে। এই কারণেই প্রকল্পটি শুরুর পর থেকেই ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

দাম

এই প্রকল্পে ২ বিএইচকে ফ্ল্যাটের দাম শুরু হচ্ছে প্রায় ৭৬ লক্ষ টাকা থেকে। কলকাতার দ্রুত উন্নয়নশীল এই এলাকায় বাড়ি কেনার জন্য এটি একটি ভাল সুযোগ। এছাড়াও কিস্তিতে টাকা দেওয়ার সুবিধা এবং শীর্ষস্থানীয় ব্যাঙ্কগুলির হোম লোনের ব্যবস্থাও রয়েছে।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ নির্মাতা সংস্থা

এই প্রকল্পের পিছনে রয়েছে প্রায় চার দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটি নির্মাতা সংস্থা – ‘বিনায়ক গ্রুপ’। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা ইতিমধ্যেই কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ৪৫টিরও বেশি প্রকল্প সম্পন্ন করেছে এবং হাজার হাজার পরিবারের কাছে তাদের আবাসন পৌঁছে দিয়েছে।

বর্তমানে সংস্থার দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্ম একসঙ্গে কাজ করছে। তাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র বাড়ি তৈরি করা নয়, বরং এমন একটি আবাসন গড়ে তোলা যেখানে মানুষ আরামদায়ক ও উন্নত জীবনযাপন করতে পারেন।

‘বিনায়ক গ্রুপ’ তাদের কাজের মানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় স্তরে একাধিক পুরস্কারও এসেছে। ২০২৬ সালে ক্রেডাই ন্যাশনালের পক্ষ থেকে সারা ভারতের সাশ্রয়ী আবাসন বিভাগে ‘বেস্ট প্রজেক্ট’ পুরস্কার পেয়েছে। এছাড়া ‘বিনায়ক আমারা’ প্রকল্পের জন্য ২০২৫ সালের ‘রিয়েলটি+ কনক্লেভ অ্যান্ড এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’ (ইস্ট)-এ ‘বেস্ট সেলিং প্রজেক্ট অফ দ্য ইয়ার’ এবং ২০২৪ সালের ক্রেডাই রিয়েলটি অ্যাওয়ার্ডসে ‘আউটস্ট্যান্ডিং পারফরম্যান্স ইন মিড-সেগমেন্ট হাউজিং’ সম্মান অর্জন করেছে।

কেন আকর্ষণ বাড়ছে?

‘বিনায়ক ২১ একরস্’ শুরু থেকেই ক্রেতাদের মধ্যে ভাল সাড়া ফেলেছে। উদ্বোধনের প্রথম মাসেই অর্ধেকের বেশি ফ্ল্যাট বিক্রি হয়ে গেছিলো। একই সঙ্গে ফ্ল্যাটের দামও প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। এতে বোঝা যায়, এই প্রকল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ কতটা বেশি।

নিউ টাউন অ্যাকশন এরিয়া III-র দ্রুত উন্নয়ন, ভাল জায়গা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং নির্মাতা সংস্থার দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা এই প্রকল্পকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

বিশদে জানতে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন:

https://21acres.vinayakgroup.org/

যোগাযোগ করুন: 7620168888

এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদনটি ‘বিনায়ক গ্রুপ’—এর সঙ্গে এবিপি ডিজিটাল ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

Newtown

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy