Advertisement
E-Paper

অস্বাস্থ্যকর জেনেও লোভ সামালানো দায়! সন্ধে হলেই শিঙাড়া, চপের দুর্নিবার টান? সমাধান কোন পথে

ভাজাভুজি দেখলেই খাই খাই। কিছুতেই লোভ সংবরণ করা যায় না! নিজেকে সামলাতে ৫ কৌশল পরখ করে দেখুন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ অগস্ট ২০২৬ ২০:৫৪
সন্ধ্যা হলেই ভাজাভুজি খাওয়ার প্রতি তীব্র লোভ হয়। নিজেকে সামলাবেন কী ভাবে?

সন্ধ্যা হলেই ভাজাভুজি খাওয়ার প্রতি তীব্র লোভ হয়। নিজেকে সামলাবেন কী ভাবে? ছবি:সংগৃহীত।

অস্বাস্থ্যকর। নিয়মিত খাওয়া খারাপ। খেলে কী কী ক্ষতি হয়, সবই জানা। কিন্তু এ যে এক দুর্নিবার আকর্ষণ। সন্ধে হলেই কারও মন খোঁজে তেলেভাজা, ফুলুরি, কেউ খোঁজেন শিঙাড়া কিংবা চাউমিন।

খাওয়ার খানিক পর থেকেই পেট আইঢাই, অম্বলে বুক জ্বালা। তবু প্রতিদিন সন্ধে হলেই মন বলে খাই খাই! চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদেরা বার বার বলছেন, বাইরের ভাজাভুজি শুধু অস্বাস্থ্যকর নয়, নিয়মিত খেলে বাড়বে ওজন। বারোটা বাজতে পারে লিভারেরও। কিন্তু জিভকে সামলানো কি মুখের কথা!

বাদ নয়, বদল হতে পারে

কোনও খাবার জোর করে বাদ দিতে গেলে, সেটির প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে। বদলে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। সন্ধ্যায় যাতে বেশি খিদে না পায়, সে জন্য মধ্যাহ্নভোজের পর থেকেই ভেবেচিন্তে খাওয়া যেতে পারে। শিঙাড়া বা চপ খেতে ইচ্ছা করলে, সুস্বাদু কিন্তু তুলনায় স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নিতে পারেন। ছোলামাখা, বাদামমাখা, ধোকলা, ভুট্টা— এই ধরনের কিছু বেছে নেওয়া যায়।

খিদে বেশি পেলেই মুশকিল

সাধারণত অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয় বিকেলে বা সন্ধ্যায়। সকাল থেকে ডায়েটে নজর দিলে, ধীরে ধীরে এমন অভ্যাস এড়ানো যায়। জলখাবার থেকে মধ্যাহ্নভোজ, বিকালের জন্য নির্দিষ্ট খাবারের জোগান রাখুন হাতের কাছে। ফাইবার, প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারেই জোর দিতে হবে। ঘড়ি ধরে খেতে থাকলে, কখনওই খিদে খুব বেশি পাবে না। পেট ভর্তি থাকলে লোভ এড়ানো সম্ভব।

গল্প-আড্ডায় মন ঘোরানো

মন খাই খাই করলে সেই সময়টা আড্ডা-গল্পে জোর দিয়ে দেখতে পারেন। খাবারের কথা সরিয়ে, পছন্দের অন্য বিষয়ে মন দিলে কিছুটা হলেও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা এড়ানো যেতে পারে। এই সময়ে চা-কফিতে চুমুক দিলেও মন ফুরফুরে হবে।

খাওয়ার সময় ভাবা দরকার

বেশ কিছু দিন অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরে শরীর খারাপ হতে শুরু করে। অনেক সময় শরীর বেশি খারাপ করলে অনেকে সচেতন হন। তবে প্রতি বার অস্বাস্থ্যকর কিছু খাওয়ার সময় ২-৩ সেকেন্ড থেমে, ভাবুন এর পরিণতি কী হতে পারে। আত্মসচেতনতাই সমাধানের উপায়।

ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ

ঘুমের অভাব, টানা মানসিক চাপ, মনখারাপ, অবসাদ— এমন একাধিক কারণের জন্য বাড়তি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। পর্যাপ্ত ঘুম যাতে হয়, মন ভাল থাকে, সে জন্য নিয়মিত প্রাণায়াম করা ভাল।

Smart Eating Hacks

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy