E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

আরটিআই না করলে হত না এফআইআর, বলছেন ডেরেক

তৃণমূলের দাবি, ২০ তারিখ সংসদ অভিযানের পরিকল্পনা প্রাথমিক ভাবে তৃণমূলের সঙ্গে সিজেপি নেতৃত্বের আলোচনার মাধ্যমেই উঠে এসেছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ অগস্ট ২০২৬ ০৮:২৫
ডেরেক ও’ব্রায়েন।

ডেরেক ও’ব্রায়েন। — ফাইল চিত্র।

কংগ্রেসের দাবি, শুক্রবার রাহুল গাঁধীর চাপে দায়ের হওয়া সাহিল লোচাবের এফআইআর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তথা মোদী সরকারকে বেকায়দায় ফেলেছে। মোদী সরকার সংসদে দাবি করেছিল, পড়ুয়াদের উপরে কোনও গুলি চলেনি। কিন্তু এফআইআর দায়ের হওয়ার পরে বিষয়টি নিয়ে দিল্লি পুলিশকে আদালতে জবাবদিহি করতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস আজ জানাচ্ছে, ছাত্রদের সংসদ অভিযানের ঠিক দু'দিন পরে যদি তথ্য জানার অধিকার (আরটিআই) আইনের অধীনে পড়ুয়াদের উপরে হামলা এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে দলের প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখলে আবেদন না করতেন, তা হলে আজ রাহুল গাঁধীর পক্ষে এফআইআর পর্যন্ত এগোনো সম্ভব হত না।

আজ তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, “বিরোধীরা সবাই টিম গেম খেলছি, এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু এটা ঘটনা যে, ২২ জুলাই যদি আমাদের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ সাকেত গোখলে পুলিশের ছররা গুলি চালানোর তথ্য জানতে চেয়ে আরটিআই না করতেন, গত শুক্রবারের এফআইআর হত না।” ডেরেক এ কথাও মনে করিয়ে দেন, তাঁদের এবং এসপি-র পক্ষ থেকে ছ’জন করে সাংসদ আন্দোলন চলাকালীন যন্তর মন্তর গিয়েছেন, পড়ুয়াদের উদ্যম বাড়িয়েছেন। তাঁদের উপরে দমনপীড়নের সমস্ত ভিডিয়ো ভাগ করে নিয়েছেন সিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে। এটাও তৃণমূলের দাবি, ২০ তারিখ সংসদ অভিযানের পরিকল্পনা প্রাথমিক ভাবে তৃণমূলের সঙ্গে সিজেপি নেতৃত্বের আলোচনার মাধ্যমেই উঠে এসেছিল।

প্রসঙ্গত, সাকেতের আবদনের জবাবে দেওয়া হাসপাতালের নথি অনুযায়ী ওই দিন অন্তত ১০ জন আন্দোলনকারী ছররা গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। দিল্লির লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল জানিয়েছিল, ২০ জুলাই সেখানে ছররা, শট বা প্রজেক্টাইলের আঘাত নিয়ে অন্তত ন’জন ভর্তি হয়েছিলেন। অন্য দিকে সফদরজং হাসপাতাল জানিয়েছে, একই দিনে ছররার আঘাত নিয়ে আসা এক তরুণের চিকিৎসা করা হয়েছিল। ফলে দুই হাসপাতালের নথি মিলিয়ে ছররায় আহতের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে অন্তত ১০। আজ ডেরেক জানিয়েছেন, এখনও এমস-এর কাছ থেকে কোনওজবাব আসেনি।

প্রসঙ্গত, দিল্লি পুলিশ প্রথমে যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের উপরে ছররা গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেছিল। কিন্তু সিআরপিএফের অন্তর্তদন্তে দেখা যায়, সিআরপিএফ-এর অধীন র‌্যাফ-এর এক জওয়ান দিল্লির কনট প্লেসে ছররা বন্দুক চালিয়েছিলেন। দিল্লির সংসদ মার্গ থানায় পুলিশের নথি অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের এক ডেপুটি কমিশনারের নির্দেশেই ‘অ্যান্টি-রায়ট গান’ থেকে গুলি চালায় র‌্যাফ। যার ব্যালিস্টিক কার্তুজের মধ্যে প্লাস্টিকের পেলেট বা ছররা ছিল। এ ছাড়া ৫৫ রাউন্ড নন-ইলেকট্রিকাল শেল, ১৫ রাউন্ড ইলেকট্রিকাল শেল ছোড়া হয়েছিল।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Pellet Gun TMC Congress CJP

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy