কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব এখনই কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রী পদে রদবদল করতে চাইছেন না, এই বার্তা দিতেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া জানিয়ে দিলেন, তিনিই গদিতে থাকবেন। সিদ্দারামাইয়াকে সরিয়ে কংগ্রেসের একগুচ্ছ বিধায়ক যাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন, সেই উপমুখ্যমন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডি কে শিবকুমারের বক্তব্য, এই পরিস্থিতিতে তাঁর আর কী-ই বা করার রয়েছে।
আপাত ভাবে শান্তিকল্যাণ মনে হলেও কংগ্রেস নেতারা মনে করছেন, কর্নাটকের কংগ্রেসে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চলতেই থাকবে। যা ২০২৮-এর বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসকে চাপে ফেলতে পারে। কংগ্রেস নেতারা মানছেন, শিবকুমারের মুখ্যমন্ত্রীর পদের দাবি অন্যায্য নয়। কিন্তু রাহুল গান্ধী যখন ওবিসি ভোটব্যাঙ্কের মন জয় করতে জাতগণনা, সংরক্ষণের ঊর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়ার দাবিতে সরব, তখন ওবিসি নেতা সিদ্দারামাইয়াকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরালে ভুল বার্তা যাবে। তার উপরে কংগ্রেস ১৫ জুলাই কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতেই নতুন তৈরি ওবিসি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক ডাকছে। সিদ্দারামাইয়া নিজে এই পরিষদের সদস্য।
অনেক কংগ্রেস নেতাই আশা করেছিলেন, ২০২৩-এ মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে সিদ্দারামাইয়া আড়াই বছর পরে নিজেই গদি ছেড়ে দেবেন। কিন্তু আজ সিদ্দারামাইয়া নিজেই বলে দিয়েছেন, ‘‘আমিই পাঁচ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকব।’’ শিবকুমার তা শুনে বলেছেন, ‘‘আমি আর কী করব? ওঁর পাশেই থাকতে হবে। দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে হবে। ২০২৮-এ ফের কংগ্রেসকে ক্ষমতায় আনার লক্ষ্য নিতে হবে।’’