দলীপ ট্রফির ফাইনালে উত্তেজিত করে বৈভব সূর্যবংশীকে আউট করে দিলেন দক্ষিণাঞ্চলের অধিনায়ক তিলক বর্মা। পূর্বাঞ্চলের সহ-অধিনায়ককে কিছু একটা বলতে দেখা যায় তিলককে। তার পরই আগ্রাসী শট খেলতে গিয়ে আউট হয়েছে বৈভব।
জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলের সিনিয়র সতীর্থের ফাঁদে পা দিয়ে উইকেট ছুড়ে দিয়েছে বৈভব। ইনিংস শুরু করত নেমে স্বভাবসিদ্ধ ভাবে আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করে বৈভব। জাতীয় দলের সতীর্থ অচেনা নয় তিলকের। তিনি জানেন, বৈভব যতক্ষণ পিচে থাকবে, ততক্ষণ দ্রুত গতিতে রান উঠবে। দলের উপর চাপ বাড়বে। বৈভবকে আটকাতে রক্ষণাত্মক ফিল্ডিং সাজিয়ে ছিলেন তিলক। তাতেও লাভ হয়নি। ফিল্ডিংয়ের ফাঁক খুঁজে বল বাউন্ডারিতে পাঠাতে শুরু করে বৈভব। মহম্মদ সিরাজের মতো অভিজ্ঞ এবং টেস্ট দলের নিয়মিত বোলারের বিরুদ্ধেও আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করেছে বৈভব।
পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারে আঁচ করে, নিজেই দায়িত্ব নেন তিলক। শুরু করেন স্লেজিং। বৈভব কয়েকটা বলে বড় শট না খেলতেই তার কাছে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আরে এ কেমন সহ-অধিনায়ক।’’ স্টাম্প মাইক্রোফোনে শোনা গিয়েছে তিলকের মন্তব্য। জাতীয় দলের সিনিয়র সতীর্থের কটাক্ষে মনঃসংযোগ নষ্ট হয় বৈভবের। চামা মিলিন্ডের একটি খাটো লেংথের বলে ছক্কা মারার চেষ্টা করতে গিয়ে টাইমিংয়ে ভুল করে বলে ১৫ বছরের ব্যাটার। ক্যাচ নেন পরিবর্ত ফিল্ডার তনয় ত্যাগরাজন। অর্ধশতরানের সুযোগ হাতছাড়া হয় বৈভবের।
আরও পড়ুন:
তিলকের স্লেজিং করলেও পরিস্থিতি তেমন উত্তপ্ত হয়নি। দক্ষিণাঞ্চলের অধিনায়কের কটাক্ষের পর দু’জনকে একসঙ্গে হাসতে দেখা গিয়েছে। ৩৭ বলে ৫টি চার এবং ১টি ছয়ের সাহায্যে ৪৪ রান করে বৈভব।