উত্তমকুমারকে শ্রদ্ধা জানাতে এ বার তাঁর জীবন ও বাংলা সিনেমায় অবদানকে মণ্ডপে তুলে ধরছে সমাজসেবী সংঘ। শিল্পী বিশ্বনাথ দে-র পরিকল্পনায় তৈরি এই মণ্ডপে ফুটে উঠবে ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকের স্মৃতি। শতবর্ষের আবহ আনতে মণ্ডপের রং রাখা হয়েছে সেপিয়া টোনে। প্রতিমা নির্মাণ করেছেন নবীন শিল্পী অরিঘ্ন সাহা।
১৩ অক্টোবর, তৃতীয়ার দিন বিকেল ৪টেয় পুজোর উদ্বোধন। উপস্থিত থাকার কথা উত্তমকুমারের পরিবারের সদস্য, পৌলমী চট্টোপাধ্যায়, রাইমা সেন এবং বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্তের। সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে মণ্ডপ।
দমদম থেকে মেট্রোয় কালীঘাটে নেমে দেশপ্রিয় পার্ক পেরিয়ে লেক রোড ধরে পৌঁছনো যাবে এখানে। শিয়ালদহ থেকে রাসবিহারী অ্যাভিনিউগামী বাসে প্রিয়া সিনেমা হলের সামনে নেমেও যাওয়া সম্ভব।
সমাজসেবী সংঘের সাধারণ সম্পাদক অরিজিৎ মৈত্র বলেন, “আমরা এ বার আরও অনেক বেশি জনসমাগম প্রত্যাশা করছি। কারণ, মহানায়ককে নিয়ে বাঙালির যে আবেগ, সেই আবেগের জন্য বহু মানুষ ফোন করছেন, জিজ্ঞেস করছেন প্যান্ডেলের উদ্বোধন কবে। তাই আমাদের বিশ্বাস, এ বছর ভিড় আরও বাড়বে আমাদের মণ্ডপে।”
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।