লক্ষ্মীর ঝাঁপি খালি রাখবেন না: ঝাঁপিতে আতপ চাল ভরে তার উপর কড়ি ও মুদ্রা রেখে সুরক্ষিত স্থানে রাখুন।
অবহেলায় রাখবেন না ঘট বা সরা: পুজোর পর ঘট ও সরা অসম্মানজনক অবস্থায় ফেলে রাখবেন না।
যেখানে-সেখানে ফেলবেন না ঘটের জল: সামান্য জল, বাড়ি ও পরিবারের সদস্যদের গায়ে ছিটিয়ে বাকি জল তুলসীগাছের গোড়ায় ঢেলে দিন।
ফেলে রাখবেন না শুকনো ফুল: পুজোর ফুল, বেলপাতা ও দূর্বা পরের দিন সরিয়ে পবিত্র জলাশয়ে বিসর্জন দিন অথবা গাছের গোড়ায় পুঁতে দিন।
অন্ধকারে রাখবেন না ঠাকুরঘর: বিশেষ করে সন্ধ্যায় ও বৃহস্পতিবার ঘরের প্রবেশদ্বার এবং ঠাকুরঘরে প্রদীপ জ্বালানোর রীতি রয়েছে।
জোর করে মুছবেন না আলপনা: পুজোর পর আলপনা ইচ্ছাকৃত ভাবে মুছে ফেলা বা পা দিয়ে মাড়ানো এড়িয়ে চলুন।
অযত্নে রাখবেন না পুজোর উপকরণ: ঘট, সরা ও অন্যান্য সামগ্রী যথাযথ ভাবে গুছিয়ে রাখুন।
ঠাকুরঘরে জমিয়ে রাখবেন না পুজোর ফুল: শুকিয়ে যাওয়া ফুল, বেলপাতা ও দূর্বা নিয়ম মেনে সরিয়ে দিন।
ঘর মোছার সময় আলপনার খেয়াল রাখুন: ঝাড়ু দেওয়া বা ঘর মোছার সময় আলপনা যেন মুছে না যায়, সে দিকে নজর রাখুন।
পুজোর পরেও মেনে চলুন নিয়ম: প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, পুজোর উপকরণের যথাযথ যত্ন ও সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানো সংসারের সুখ-সমৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।