পুজোর সময় মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে ঠাকুর দেখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে একটি। ভিড়ের মধ্যে কষ্ট হোক বা হাঁটতে গিয়ে পায়ে ফোসকা — বাঙালির ঠাকুর দেখা আটকায় কে?
পুজোয় বেরোলে বিভিন্ন ভাবে বেশ ভাল পরিমাণেই খরচ হয়ে যায়। ভিড়ের কারণে অনেকেই আজকাল নগদে বেশি টাকা ব্যাগে রাখতে চান না। ইদানীং এমনিতেই তো ব্যবহার বেরেছে অনলাইন লেনদেনের। রাস্তার ধারের খাবারের দোকান হোক বা বড় রেস্তরাঁ, কিংবা অন্য যে কোনও জায়গাতেই এখন অনলাইনে বিল মেটানো যায়। পুজোতেও তাই তাতেই আস্থা রাখতে চান মানুষ।
আর সেখানেই ভয়ের কারণ। অনলাইন লেনদেন করতে গিয়ে অসাবধানে ফাঁকা হয়ে যাবে না তো আপনার অ্যাকাউন্ট?
তাই এখন থেকেই সতর্ক হন। মাথায় রাখুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ভুয়ো কিউআর
অনেক সময় প্রতারকেরা আসল কিউআর-এর উপরে লাগিয়ে দেয় ভুয়ো কিউআর। আর সেখানে পাঠানো টাকা চলে যায় প্রতারকদের কাছে। তাই কিউআরে টাকা পাঠানোর আগে যাচাই করে নিন প্রাপকের নাম এবং টাকার অঙ্ক।
ছাড় দেওয়ার লোভ
পুজোর আগে সমাজমাধ্যমে বিভিন্ন জিনিস কেনায় বিপুল ছাড়ের বিজ্ঞাপন দেখতে পাওয়া যায়। কিছু ক্ষেত্রে টাকা ফেরত (ক্যাশব্যাক) বা দামি পুরস্কারের কথাও থাকে তাতে। এই বিজ্ঞাপনের ভিড়ে অনেক ভুয়ো বিজ্ঞাপনও মিশে থাকে। তেমন কোনও জায়গায় নিজে ব্যাঙ্কের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেবেন ন
ওটিপি দেওয়া যাবে না
নিজের ফোনে আসা ওটিপি কখনওই অন্য কাউকে দেবেন না। এর ফলে অজান্তেই আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে যেতে পারে অন্য কারও কাছে।
টাকা নেওয়ার জন্য পিন নয়
আমরা পিন ব্যবহার করি শুধুমাত্র নিজে টাকা দেওয়ার সময়ে। কেউ যদি আপনার থেকে টাকা নেওয়ার জন্য আপনার কাছে সেই পিন জানতে চায়, ভুলেও দেবেন না। এই পিন দিয়ে দেওয়া মানে আপনার অ্যাকাউন্টের দরজা আপনি অন্যের জন্য খুলে দিচ্ছেন।
শুধু প্রেম নয়, জালিয়াতিরও ফাঁদ পাতা ভুবনে। পুজোর আনন্দের মধ্যে তাই সাবধানতার বিষয়গুলিও মাথায় রাখুন। আপনার কষ্টার্জিত টাকা কেউ যেন নয়ছয় করতে না পারে। আপনার সামান্য অসাবধানতাই মাটি করতে পারে আপনার এবং আপনার পরিবারের সব আনন্দ।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।