Advertisement
E-Paper

অভিভাবকেরাও জানতে পারবেন সন্তানের পড়াশোনার অগ্রগতি, প্রাথমিক স্কুল নিয়ে নির্দেশিকা জারি পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশনের

নির্দেশ অনুযায়ী, বালবাটিকা, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতিটি ক্লাসে রঙিন ‘লার্নিং আউটকাম’ পোস্টার রাখতে হবে। পোস্টার তৈরির বা ছাপানোর জন্য প্রয়োজনীয় খরচ স্কুলের কম্পোজ়িট গ্রান্ট থেকে করা যাবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০৬
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে পড়াশোনার মান আরও উন্নত করতে উদ্যোগী হল পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশন। প্রাক্-প্রাথমিক বা বালবাটিকা, প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতিটি ক্লাসরুমে ‘লার্নিং আউটকাম’ বা শিক্ষণ ফলের পোস্টার টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পোস্টারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির পড়ুয়াকে বছরের শেষে কী কী জানতে হবে এবং কোন কোন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হবে। সব জেলার শিক্ষা আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশ অনুযায়ী, বালবাটিকা, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির প্রতিটি ক্লাসে রঙিন ‘লার্নিং আউটকাম’ পোস্টার রাখতে হবে। পোস্টার তৈরির বা ছাপানোর জন্য প্রয়োজনীয় খরচ স্কুলের কম্পোজ়িট গ্র্যান্ট থেকে করা যাবে। শুধু ক্লাসরুমেই নয়, স্কুলের অফিসের কাছে, নোটিস বোর্ডে বা প্রধান প্রবেশদ্বারের মতো জায়গাতেও পোস্টার টাঙাতে বলা হয়েছে। এর ফলে অভিভাবক এবং স্কুল পরিদর্শনে আসা আধিকারিকেরা সহজেই তা দেখতে পারবেন।

পাশাপাশি, শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষকদের অভিভাবকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও পোস্টারের ডিজিটাল কপি পাঠাতে বলা হয়েছে। পিডিএফ বা জেপিইজি ফরম্যাটে এই পোস্টার শেয়ার করা যাবে।

প্রাথমিকের শিক্ষকদের ‘নিপুণ ভারত’-এর লক্ষ্য অনুযায়ী পড়ুয়াদের পড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, বছরের শেষে পড়ুয়ারা কী কী শিখবে এবং কী কী করতে পারবে, সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই প্রতিদিনের ক্লাস নিতে হবে।

শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের মতে, এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষক, পড়ুয়া এবং অভিভাবক— তিন পক্ষই বুঝতে পারবে, একটি শিক্ষাবর্ষের শেষে একটি শিশুর কাছ থেকে কতটা পড়াশোনা এবং কোন ধরনের দক্ষতা আশা করা হচ্ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের সব প্রাথমিক স্কুলে এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে।

তবে এই নিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যা হতে পারে মনে করছে শিক্ষামহলের একাংশ। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘এখনও সব স্কুল সে ভাবে টাকা পায়নি। তার মধ্যে কম্পোজ়িট গ্রান্টের টাকা দিয়ে বাকি সব খরচ সামলে এই পোস্টার তৈরির খরচ বের করা চিন্তার বিষয়। তাই দফতরই যদি আর্থিক সাহায্য করে, তা হলে সুবিধা হয়।’’

school

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy