Advertisement
E-Paper

উচ্চশিক্ষায় জাতীয় শিক্ষা নীতির প্রয়োগ, পাঠ্যক্রম সংস্কার থেকে শিল্প-সংযোগ তৈরি করতে টাস্ক ফোর্স গঠন রাজ্যের

বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের পাঠ্যক্রম সংস্কার, চার বছরের স্নাতক পাঠক্রম, ক্রেডিট ট্রান্সফার, শিল্প সংযোগ, ইন্টার্নশিপ এবং প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে মেন্টরিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেবে এই টাস্ক ফোর্স। সেখানে যুক্ত করা হয়েছে উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তিগত শিক্ষা, শিল্প ও প্রশাসনের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিকে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অগস্ট ২০২৬ ২৩:৪৩

— সংগৃহীত।

রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ প্রয়োগ হবে, আগেই জানিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সে নীতি বাস্তবায়নে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের প্রয়োজন। এ বার সেই লক্ষ্যে গঠিত হল টাস্ক ফোর্স।

উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের পাঠ্যক্রম সংস্কার, চার বছরের স্নাতক পাঠক্রম, ক্রেডিট ট্রান্সফার, শিল্প সংযোগ, ইন্টার্নশিপ এবং প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে মেন্টরিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেবে এই টাস্ক ফোর্স। সেখানে যুক্ত করা হয়েছে উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তিগত শিক্ষা, শিল্প ও প্রশাসনের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিকে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এম জগদীশ কুমার রয়েছেন পরামর্শদাতা হিসাবে।

অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন হরিয়ানা স্টেট হায়ার এডুকেশন কাউন্সিলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক কৈলাসচন্দ্র শর্মা, নীতি আয়োগের অধিকর্তা রাজীবকুমার সেন, আইআইটি খড়্গপুরের অধিকর্তা সুমন চক্রবর্তী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নির্মল্যনারায়ণ চক্রবর্তী, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কল্লোল পাল এবং ম্যাকাউটের উপাচার্য তাপসকুমার চক্রবর্তী-সহ কয়েকজন। শিল্পক্ষেত্রের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন ওই কমিটিতে।

টাস্ক ফোর্সের মূল লক্ষ্য স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে বহুমুখী পাঠ্যক্রম চালু করা। পাশাপাশি পড়ুয়াদের ক্রেডিট স্থানান্তর ও প্রতিষ্ঠান বদলের সুযোগ সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্প সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধির উপরও জোর দেওয়া হবে।

বাস্তবায়নের জন্য তিনটি পর্যায় নির্ধারণ করা হয়েছে— প্রথম পর্যায়ে বিধিবদ্ধ ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি, দ্বিতীয় পর্যায়ে পাঠ্যক্রম ও শিল্প-সংযোগ, সম্প্রসারণ এবং তৃতীয় পর্যায়ে গুণমান নিশ্চিতকরণ, নাক এবং এনবিএ-র প্রস্তুতির উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রধানত চারটি ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ’ তৈরি করা হয়েছে। প্রথমটি পাঠ্যক্রমের, দ্বিতীয়টি প্রযুক্তি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য, তৃতীয় বিভাগটি রয়েছে শিল্প সংযোগ ও ইন্টার্নশিপের জন্য এবং সর্বশেষে প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে মেন্টরিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতি তিন মাস অন্তর টাস্ক ফোর্সের বৈঠক হবে। উচ্চশিক্ষা দফতর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা দেবে এবং টাস্ক ফোর্স নিয়মিত অগ্রগতি রিপোর্ট রাজ্য সরকারকে জমা দেবে।

উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “প্রথম থেকেই আমরা জানিয়েছিলাম জাতীয় শিক্ষা নীতি বাস্তবায়িত হবে। সেই মত টাস্ক ফোর্স গঠন করা হল। দ্রুত ওই কমিটি কাজ শুরু করবে। ২৫ অগস্ট কর্মশালা করা হবে।”

Task Force Higher education

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy